নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - দীর্ঘ রাজনৈতিক দূরত্বের পর অবশেষে ফের মিলনের ছবি। তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতা অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখকে দেখা গেল বিজয়া সম্মিলনীর একই মঞ্চে। দীর্ঘ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পর এই যুগল উপস্থিতি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আর এই ঐক্যের মঞ্চেই কার্যত শাসানির সুর শোনা গেল সাংসদ শতাব্দী রায়ের মুখে।
সূত্রের খবর, শনিবার মুরারই এক নম্বর ব্লকের বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতা। তবে সবার নজর ছিল দুই বিতর্কিত কিন্তু জনপ্রিয় নেতার দিকে অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখ। বহুদিনের ঠান্ডা সম্পর্কের পর এদিন তাদের পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা যায়। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। তবে এই রাজনৈতিক মঞ্চে ক্ষণিকের মধ্যেই আবহ বদলে যায়। মঞ্চে কাজল শেখ উপস্থিত হতেই অনুব্রত ও কাজল অনুগামীদের মধ্যে স্লোগান যুদ্ধ শুরু হয়। 'অনুব্রত মণ্ডল জিন্দাবাদ' বনাম 'কাজল শেখ জিন্দাবাদ' স্লোগানে গর্জে ওঠে মুরারইর সভামঞ্চ।
সাংসদ শতাব্দী রায় একাধিকবার মঞ্চ থেকে স্লোগান থামানোর চেষ্টা করলেও সেই স্লোগান থামেনি। শেষমেষ সাংসদ কার্যত ক্ষোভে ফুঁসে উঠেন। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় বলেন, ' মাঝেমধ্যে আমাদের কারোর প্রতি ভালোবাসা এতটাই বেড়ে যায় যে সেটার বহিঃপ্রকাশ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সবাই একসঙ্গে থাকলে বাইরের কোনো শক্তি আমাদের হারাতে পারবে না। আমরা সবাই তৃণমূলের সৈনিক। আমাদের লড়াই কংগ্রেস, বিজেপি আর সিপিএমের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত, নিজেদের মধ্যে নয়।'
নাম না করে শতাব্দী রায় রীতিমতো কটাক্ষ করে বলেন, 'আপনাদের কাছে মানুষ আসে কারণ আপনারা তৃণমূল করেন। দল ছাড়া আপনাদের কোনও দাম নেই। যে বলে এই সাংসদকে হারিয়ে দে, বা ওই বিধায়ককে হারিয়ে দে তাতে সেই সাংসদ সেই বিধায়ক বা মমতা ব্যানার্জির কিছু আসে যায় না। এরা কখনই দলের লোক হতে পারে না। কারণ এরা সবাই বেঈমান।'
SIR প্রসঙ্গে সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, 'SIR আমরা হতে দিচ্ছি না দেবো না। ভোটার লিস্টে আপনার নাম আছে কিনা সেটা দেখা যেমন কাজ সঙ্গে আপনার পরিবারের লোকেদের নাম আছে কিনা সেটাও আপনাকে দেখতে হবে। কারণ দিল্লির সরকার এখন শুধু একটা অজুহাত খুঁজছে মমতা ব্যানার্জিকে হারানোর জন্য কিন্তু তাকে হারানো এতো সহজ না। যতদিন বাংলায় মমতা ব্যানার্জি আছেন ততদিন উনি আমাদের সুরক্ষা দিয়ে যাবে।'
পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ
সহকর্মীরা পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে
ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে ক্যাম্পাসের পরিবেশ
পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রাথী জাহাঙ্গির খান
এলাকাবাসীর সামনে নিজের উন্নয়নের রূপরেখাও তুলে ধরেন তিনি
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন
প্রাথমিকভাবে এটি খুনের ঘটনা বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা
পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন
জনবহুল অঞ্চলে এমন বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে
বিচার ব্যবস্থার এই দ্রুততাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ প্রশাসন
কটাক্ষের সুর চড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবও
এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী
ভোটের আগে পুলিশ পর্যবেক্ষকের কড়া ভাষা
তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়...
সবমিলিয়ে, ভোটের আগে এই জনপদে রাজনৈতিক সমীকরণ এখন তুঙ্গে
৫ তারিখের পর অঙ্গ - বঙ্গ -কলিঙ্গে বিজেপি হবে , বার্তা অমিত শাহের
নতুন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত অনিদিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড রাখা হয়েছে তাকে
বৃহস্পতিবার অনিন্দ্য ব্যানার্জীর সমর্থনে রোড শো করেন অমিত শাহ