নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - একটানা চার মাস ধরে চলা বৃষ্টিপাত সহ অনুকূল আবহাওয়ার অভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হুগলীর সবজি চাষ। অতিবৃষ্টি , জল জমে থাকা , পরাগায়নের সমস্যা সহ ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে শাকসবজি উৎপাদনে। ফলন না হওয়ায় চাষিরা পড়েছেন চরম আর্থিক সঙ্কটে।

সূত্রের খবর , বলাগড়ের একতারপুর পঞ্চায়েত , সিজা কামালপুরের ঢাকছড়া গ্রাম সহ সাখারের পার গ্রামে শশা , ঝিঙে , চিচিঙ্গা , করোলা , ধুন্ধুল , পটল সহ লাউয়ের চাষে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফুল ধরলেও ফল আসেনি গাছে। মৌমাছি সহ অন্যান্য পরাগায়নকারী কীটপতঙ্গ অনুপস্থিত থাকায় পরাগায়ন না হওয়াই এই ফলনের ঘাটতির মূল কারণ বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

এই পরিস্থিতিতে সিপিআইএম - এর কৃষক সংগঠনের উদ্যোগে , শনিবার চাষিদের পাশে এসে দাঁড়ালেন কল্যাণী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল অধ্যাপক সহ গবেষক। মাঠে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তারা। হাতে কলমে বুঝিয়ে দেন কী কারণে ফলন কম হয়েছে। এমনকি আগামী দিনে কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা করা যেতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন , জমিতে জল নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকলে মাচার ফসল যেমন শশা বা করোলায় ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ছড়ায়। পাতায় হলুদ ভাব দেখা দেয় , এমনকি গাছ শুকিয়ে যায়। পাশাপাশি চাষিরা যদি সকালে কীটনাশক প্রয়োগ করেন , তবে সেই সময় পরাগায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মৌমাছি সহ পোকামাকড় মাঠে আসে না , ফলে প্রাকৃতিক পরাগায়ন বাধাপ্রাপ্ত হয়।

গবেষকদের মতে , এই ধরনের আবহাওয়ায় চাষিদের নিজে হাতে কৃত্রিম পরাগায়নের দিকে ঝোঁকাতে হবে। চাইলে পরাগরেণু জলে গুলে স্প্রে করেও পরাগায়ন ঘটানো যেতে পারে। চাষিরা জানিয়েছেন , ফলন কম হওয়ায় বাজারে সবজি বিক্রি করে খরচও উঠছে না। লোকসান গুনতে হচ্ছে বড়সড় অঙ্কে।
এই পরিস্থিতিতে কৃষি গবেষকদের সরাসরি মাঠ পর্যায়ে উপস্থিতি সহ বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ চাষিদের কিছুটা হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে আগামী দিনে এমন ক্ষতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সরকারি সহায়তা।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়