নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অভিভাবকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিদ্যালয়ের টিচার ইনচার্জের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নামখানা ব্লকের ফেজারগঞ্জ এলাকায়। যদিও অভিযুক্ত শিক্ষক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , নামখানার নারায়ণীতলা ধনেশ শিক্ষা সদন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রী পৃথ্বীকা দাস। সম্প্রতি কন্যাশ্রী প্রকল্পের ‘K2’ ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য তাকে স্কুলে ডাকা হয় এবং সেই সূত্রেই তার বাবাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। অভিযোগ, নথিতে সই করার বিনিময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত টিচার ইনচার্জ শুভ্রনীল প্রামাণিক ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এমনও বলা হয় যে অর্থ না দিলে কাগজপত্র জমা দেওয়া হবে না। পরে বহু অনুরোধের পর ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে সেই সই করা হয় বলে দাবি পরিবারের।

এই ঘটনাকে ঘিরে সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। সেখানে দায়িত্বে থাকা শিক্ষক যদি অর্থ দাবি করেন, তবে সাধারণ মানুষের ভরসা নষ্ট হবে বলেই মত অনেকের। এই ঘটনায় পর ছাত্রীর পরিবার বিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এ প্রসঙ্গে ছাত্রীর বাবা প্রভাত দাস জানান, 'আমি দিনমজুর মানুষ। খুব কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে স্যারের হাতে দিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন অর্থ না দিলে কাগজপত্র পাঠানো হবে না। এখন সেই টাকাটা ফেরত চাইছি এবং সঠিক বিচার চাই'।
অন্যদিকে, শুভ্রনীল প্রামাণিক বলেন, 'এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সংশ্লিষ্ট ছাত্রী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে না। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি সে বর্তমানে ব্রেনওয়্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। তাছাড়া কন্যাশ্রীর টাকা আগের বছরই পেয়েছে। কেউ অভিযোগ করলেই তা সত্যি প্রমাণ হয় না'।
স্কুলের সভাপতি মুক্তেশ্বর মিদ্দা জানান, 'আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। যদি অর্থ নেওয়ার প্রমাণ মেলে, তবে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়