নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - বিএলও-র চরম গাফিলতির কারণে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেন না তরুণী। ভোট মিটে যাওয়ার পরদিন বাড়িতে ভোটার স্লিপ পৌঁছতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ল গ্রামবাসী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে চাঁচল বিধানসভায়। অভিযুক্ত কর্মীকে ঘিরে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিহিপুর গ্রামের ২২৩ নম্বর বুথের বিএলও আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বাসিন্দা হুশনারা বেগম সম্প্রতি ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন। সেই হিসেবে প্রথম বারের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা ছিল তরুণীর। অভিযোগ, বারবার ভোটার স্লিপ চাইলেও তাকে তা দেওয়া হয়নি। উল্টে নাম বাদ গেছে বলে জানানো হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই বৃহস্পতিবার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হন হুসনারা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, পরদিন অর্থাৎ শুক্রবার তার বাড়িতে গিয়ে স্লিপ পৌঁছে দেন বিএলও।
এরপরই রাগে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার মানুষ বিএলোর শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভে শামিল হন। তাদের দাবি, সংশোধনী লিস্টে রেকর্ড সঠিক থাকলেও কেন বারবার বিএলও মিথ্যে তথ্য দিলেন, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠছে। গ্রামবাসীর চাপে পড়ে আখতার হোসেন অবশেষে নিজের ভুলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে জনতা।
হুশনারা বেগম জানান, ‘সংশোধনী লিস্টে আমার নাম ছিল। অনলাইনে চেক করেও সব ঠিক পেয়েছি। কিন্তু বিএলও বারবার বলেছেন আমার নাম নাকি বাদ পড়েছে। অনেকবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কোনো লাভ হয়নি। এখন ভোট মিটে যাওয়ার পর স্লিপ দেওয়া হচ্ছে। আমি ভোট দিতে চাই, নতুবা বিএলও-কে এখান থেকে যেতে দেব না। পুরোটাই তার গাফিলতি। আমি ওনার কঠোর শাস্তি চাই'।
অন্যদিকে, বিএলও আখতার হোসেন জানান, ‘হাসেনারী বলে অন্য একজন আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন তিনি কলকাতায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাই ভোট দিতে পারবেন না। নামের গণ্ডগোলে আমি দু'জনকে এক ভেবে ফেলেছিলাম। সেই কারণেই এই ভুল হয়েছে। মেয়েটি কোনোদিন আমার বাড়িতে আসেনি, আমি সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্লিপ বিলি করেছি। গাফিলতি আমার ঠিকই, এই ঘটনার জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত'।
সকাল থেকেই মহিষাদলের রথ প্রাঙ্গণে ঢল নেমেছে হাজার হাজার ভক্তদের
রথযাত্রা ঘিরে তারাপীঠে উপচে পড়া ভিড়
ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন
হাসপাতালের অব্যবস্থা থেকে ক্ষুব্দ মন্ত্রী
স্ত্রীকে খুন করে পলাতক স্বামী
শতাব্দী প্রাচীন রথযাত্রায় ভোগ পরিবেশন
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত , বিকল্প জায়গায় ক্লাসের আশ্বাস প্রশাসনের
আগামী দিনে স্কুলের পাঠ্যসূচিতে রথযাত্রার ইতিহাস যুক্ত করার ইচ্ছে মন্ত্রীর
ঘটনার জেরে জেলা বিজেপির অন্দরে নতুন করে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জল্পনা শুরু হয়েছে
হাসনাবাদে তৃণমূল নেতার বাড়িতে এটিএস অভিযান
রাজনীতি প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ
মেডিকেল কলেজে ভর্তি করার পর রোগীকে শুধু অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে রাখা হয়
১৬ জুলাই থেকে এই বিশেষ ট্রেন চালু হবে
১৮ জুলাই উত্তরকন্যায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পারেন অমিত শাহ
অভিষেক সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...