নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ক্ষুব্ধ হয়ে পথে নামলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের সুলতাননগরে। 'কুশল গ্রামে পানীয় জল পাচ্ছি না কেন, প্রশাসন তুমি জবাব দাও' - এই স্লোগানে মুখরিত হয় গোটা এলাকা। যদিও প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বহু বছর আগে কুশল গ্রামে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পাইপলাইন বসানো হয়েছিল। রাধিকাপুর পিএইচই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে সেই পরিষেবা চালু হয়নি। অধিকাংশ বাড়িতে এখনও পর্যন্ত সংযোগ বা ট্যাপকল বসেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে চরম পানীয়ের সংকটে ভুগছেন প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবার।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার ব্লক প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হলেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। গ্রামবাসীদের দাবি, গত ১৫ বছরে ৩ বার পাইপ বসানোর কাজ হয়েছে, কিন্তু আজও জল সরবরাহ শুরু হয়নি। বর্তমানে এলাকার মানুষ বাধ্য হয়ে আয়রনযুক্ত অগভীর নলকূপের পানীয় ব্যবহার করছেন, যার ফলে অনেকেই পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন।
কেউ কেউ আবার প্রয়োজন মেটাতে পার্শ্ববর্তী বিহারের কানহল গ্রাম থেকে জল সংগ্রহ করে আনছেন। ৬ মাস আগে শিব মন্দির প্রাঙ্গণে একটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হলেও তাতে ফিল্টার না থাকায় সেটি কার্যত অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে বুধবার বালতি ও কলসি হাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, আসন্ন নির্বাচনের আগে সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে সকলে মিলে ভোট বয়কট করবেন।

এ প্রসঙ্গে বাম নেতা আব্দুল বাসির বলেন, 'গত জানুয়ারি মাসে পানীয় জলের দাবিতে ব্লক প্রশাসনের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও উদ্যোগ চোখে পড়েনি। রাজ্য সরকার সংখ্যালঘুদের আর কেন্দ্র সরকার হিন্দুদের বোকা বানাচ্ছে। দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হব'।
স্থানীয় বাসিন্দা মজিফুল রহমান জানান, 'ভোটের আগে নেতারা এসে প্রতিশ্রুতি দেন, পরে আর তাঁদের দেখা যায় না। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দিনমজুর বা খেটে খাওয়া পরিবার। বাজার থেকে জল কিনে আনার সামর্থ্য নেই। অগভীর নলকূপের পানীয় খেয়ে বেশিরভাগ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। নির্বাচনের আগে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে গ্রামের মানুষ ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়