নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পথ দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাল এলাকাবাসী। বিষয়টি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নবদ্বীপের প্রতাপনগর এলাকায়। নিহতের নাম বিশ্বজিৎ মুখার্জী। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। নিরাপত্তা ও বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয় মহলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গঙ্গানগর এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মুখার্জী ছিলেন এক যুব তৃণমূল কর্মী। রবিবার একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে রওনা দিয়েছিলেন। তখনই প্রতাপনগর এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় আচমকা একটি দ্রুতগতির টোটো এসে সজোরে ধাক্কা দেয় তাঁকে। গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। প্রথমে থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মেলে। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও অভিযুক্ত চালককে গ্রেফতার করা হয়নি।
এর প্রতিবাদে সোমবার নবদ্বীপ হাসপাতাল রোডে দেহ রেখে পথ অবরোধে শামিল হন পরিজন ও প্রতিবেশীরা। ফলে দীর্ঘক্ষণ যানজটের সমস্যা দেখা দেয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় এক নেত্রী বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে মিটিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার জেরে জনরোষ আরও বৃদ্ধি পায়। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, মানুষের জীবন টাকার বিনিময়ে মূল্যায়ন করা যায় না। তাঁরা কেবল দোষীর উপযুক্ত শাস্তি চান।
প্রতিবেশী দেবিকা সিট জানান, 'আমাদের পাড়ার নেত্রী কাকলি রায় আমাদের বলেছেন পয়সা দিয়ে সমঝোতা করতে। কিন্তু মানুষের প্রাণ কি অর্থ দিয়ে কেনা যায়? আমরা টোটো চালকের কঠোর শাস্তি চাই। পাশাপাশি আমাদের দাবি, প্রশাসন নজর দিক যাতে এভাবে কেউ বেপরোয়া ভাবে যানবাহন না চালায়। কোনো মা-বাবার কোল যেন এভাবে খালি না হয়'।
সকাল থেকেই মহিষাদলের রথ প্রাঙ্গণে ঢল নেমেছে হাজার হাজার ভক্তদের
রথযাত্রা ঘিরে তারাপীঠে উপচে পড়া ভিড়
ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন
হাসপাতালের অব্যবস্থা থেকে ক্ষুব্দ মন্ত্রী
স্ত্রীকে খুন করে পলাতক স্বামী
শতাব্দী প্রাচীন রথযাত্রায় ভোগ পরিবেশন
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত , বিকল্প জায়গায় ক্লাসের আশ্বাস প্রশাসনের
আগামী দিনে স্কুলের পাঠ্যসূচিতে রথযাত্রার ইতিহাস যুক্ত করার ইচ্ছে মন্ত্রীর
ঘটনার জেরে জেলা বিজেপির অন্দরে নতুন করে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জল্পনা শুরু হয়েছে
হাসনাবাদে তৃণমূল নেতার বাড়িতে এটিএস অভিযান
রাজনীতি প্রসঙ্গেও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ
মেডিকেল কলেজে ভর্তি করার পর রোগীকে শুধু অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে রাখা হয়
১৬ জুলাই থেকে এই বিশেষ ট্রেন চালু হবে
১৮ জুলাই উত্তরকন্যায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে পারেন অমিত শাহ
অভিষেক সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...