নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - বাংলার লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে পটচিত্র এক অনন্য শিল্পধারা। কাগজ বা বস্ত্রের উপর আঁকা এই চিত্রকলা শুধু রঙ ও রেখার খেলা নয় - এক চলমান ইতিহাস। গান ও ছবির মেলবন্ধনে জীবন্ত হয়ে ওঠে সমাজ, ধর্ম ও মানবিকতার গল্প। রাজদরবারের শিল্পের বাইরে, গ্রামবাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া এই পটশিল্পই একসময় বাংলার সংস্কৃতির প্রধান বাহক হয়ে উঠেছিল।

লুপ্তপ্রায় শিল্পের শেষ রক্ষক বীরভূম জেলার প্রবীণ পটুয়া লাল্টু চিত্রকর। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে পটচিত্রের জগতে পা রাখেন তিনি। আজ বয়স ৬৫ বছর, তুলিতে ও কণ্ঠে বহন করছেন প্রায় পাঁচ দশকের শিল্পচর্চার অভিজ্ঞতা। পৌরাণিক চরিত্ররা সেখানে শুধু দেবত্বে নয়, মানবিক উষ্ণতায়ও প্রাণ পায়। দেবদেবীর কাহিনি, লোককথা অথবা সামাজিক ঘটনার রূপকথা - সবই উজ্জ্বল প্রাকৃতিক রঙে ফুটিয়ে তুলতেন পটুয়ারা। গান গাইতে গাইতে গ্রামে গ্রামে পট দেখানো ছিল তাঁদের জীবন ও জীবিকা।

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কারণে লাল্টুবাবুর ছেলেরা আর পটুয়ার পেশায় আসেননি। প্রতিকূলতার মধ্যেও লাল্টু চিত্রকর অবিচল। রঙ, তুলি আর গানের সুরে আজও তিনি আগলে রেখেছেন বাংলার এক অমূল্য ঐতিহ্যকে। হয়তো খুব শীঘ্রই এই শিল্প শুধুই স্মৃতির পাতায় ঠাঁই নেবে। কিন্তু লাল্টু পটুয়ার হাতের টান ও গলার সুরে বেঁচে থাকবে বাংলার পটশিল্প।

যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়