নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ৫২০ টম বর্ষে মনের পাপ দূর করতে মহাপ্রভুর দরবারে ভক্তরা। কল্যাণীর গয়েশপুরে অবস্থিত পবিত্র কুলিয়া পাঠ অপরাধ ভঞ্জন মন্দির - যা ভক্তদের কাছে অপরাধ মোচনের এক অনন্য তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। মুলো, মিষ্টি আলু , ফল দিয়ে পুজো দেয় ভক্তরা। সানন্দে পাপ থেকে মুক্তির জন্য দলে দলে ভক্তের সমাগম ঘটেছে। অপরাধ মোচন ও আত্মশুদ্ধির আশায় কুলিয়া পাঠ আজও বহন করে মহাপ্রভুর করুণার অমলিন বার্তা। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মভূমি নদীয়া জেলা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় স্থান।

পুরাণ মতে , প্রায় ৫২০ বছর আগে,মহাপ্রভুর পরম ভক্ত শ্রীবাস পণ্ডিত নিজের বাড়ির আঙিনায় নিষ্ঠার সঙ্গে হরিনাম সংকীর্তনে নিমগ্ন থাকতেন। কিন্তু সেই পবিত্র আঙিনাতেই একদিন দুষ্টবুদ্ধি ও উদ্ধত স্বভাবের চাপাল গোপাল ছাগমুণ্ডু সহ নানা অপবিত্র সামগ্রী ঝুলিয়ে রেখে চরম অপরাধ করেন। এই গুরুতর অপরাধের ফলস্বরূপ তিনি আক্রান্ত হন এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে।ব্যাধি থেকে মুক্তির আশায় বহু তীর্থস্থান ঘুরেও কোনও ফল পাননি চাপাল গোপাল।

সমাজ থেকেও তিনি হয়ে পড়েন বঞ্চিত। ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া সেই মানুষটিকে শেষ পর্যন্ত জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত চাপাল গোপাল ভেসে ভেসে ত্রিবেণী হয়ে এসে পৌঁছান বর্তমান কুলিয়া পাঠ অপরাধ ভঞ্জন মন্দির সংলগ্ন নদীতীরে। ঠিক সেই শুভক্ষণেই সেখানে আগমন ঘটে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের। মহাপ্রভুর অপার করুণায় চাপাল গোপাল মুক্তি লাভ করেন তাঁর ভয়ংকর ব্যাধি থেকে। মহাপ্রভুর আদেশে তিনি মস্তকের কেশ ত্যাগ করে নদীতে স্নান করেন এবং দীক্ষা গ্রহণ করেন। মহাপ্রভুর কৃপায় তাঁর নতুন নামকরণ হয় দৈবকী নন্দন। এই পবিত্র স্থান পরিচিতি লাভ করে কুলিয়া পাঠ অপরাধ ভঞ্জন মন্দির নামে।
একসময় উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে ত্যারেয়া ফেলার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানোর রেওয়াজ ছিল
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
এই বিশ্বাসের পেছনে জ্যোতিষশাস্ত্র ও আগমশাস্ত্রের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে, যা বহু মানুষ আজও মানেন
হিন্দু পুরাণে যক্ষদের অধিপতি হিসেবে পরিচিত কুবের যিনি ধনসম্পদের দেবতা এবং উত্তর দিকের দিকপাল
কাশে বাতাসে প্রতিধ্বনি হল সেই চিরন্তন সত্য নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান , বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান
উদ্যোগটি ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে স্থানীয় মহলে
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে অস্থায়ী কেনাকাটার আয়োজন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর