নিজস্ব প্রতিনিধি, ইসলামাবাদ – আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এরপর থেকেই উত্তাল একাধিক দেশ। প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন কাতারে কাতারে মানুষ। খামেনেইয়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে করাচিতে আমেরিকার দূতাবাসে হামলা চালান বহু মানুষ। পাল্টা নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে মৃত্যু কমপক্ষে ১০ জনের।
রবিবার সকালে ইরানের রিভলিউশনারি গার্ডসের তরফে জানানো হয়েছে, নিজের দফতরেই মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন খামেনেইয়ের মেয়ে, জামাই, নাতি-নাতনি, ধর্মগুরুর পুত্রবধূ। উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, খামেনেইয়ের দফতর পুরো ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইসলামিক রিভলিউশনারি গার্ড কর্পস।
করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনে তাণ্ডব চালায় বিক্ষোভকারীরা। ওয়াশিংটন এবং তেল আভিভের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তাঁরা। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এরপরই নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে দূতাবাসের নিরাপত্তারক্ষীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ১০ জনের। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...