নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ঐতিহাসিক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আইএফএ শিল্ড হাতছাড়া করেছে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের কাছে টাইব্রেকারে ৫-৪ ব্যবধানে হেরেছে মশাল ব্রিগেড। টাইব্রেকারে জয় গুপ্তার পেনাল্টি বাঁচিয়ে দিয়েছেন বিশাল কাইথ। দলে এসেই নজর কেড়েছেন জয় গুপ্তা। তবে এখনও অবধি সবচেয়ে বড় ভুলও করে ফেলেছেন। ফাইনালে হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে দোষারোপ করেছেন ভারতীয় ডিফেন্ডার।
শুধু দোষারোপ করেননি , লাল হলুদ সমর্থকদের আশ্বাসও দিয়েছেন জয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেছেন , "ক্লাব ও সমর্থকদের জানাচ্ছিল, পেনাল্টি ফস্কানোর পুরো দায় আমার। ইস্টবেঙ্গলের মতো এক ঐতিহ্যশালী ক্লাব ও তাদের সমর্থকদের কাছে এটা কতটা বেদনাদায়ক সেটা বুঝি। এই মুহূর্তগুলো কষ্ট দেয়। ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা যে কতটা হতাশ তা বোঝানোর ভাষা নেই।"
ভুল শুধরে নেওয়ার শপথও করেছেন জয়। তিনি আরও বলেন, "একটা কথা পরিষ্কার করতে চাই, এই হার আমাকে ধাক্কা দেয়নি। এই হারের ফলে যতটা কষ্ট সকলে পেয়েছেন, আমি তা পুষিয়ে দেব। যে ভুল করেছি, ইস্টবেঙ্গলকে ১০টা ট্রফি জিতিয়ে পুষিয়ে দেব। এটা আমার প্রতিশ্রুতি রইল। সবাই শুধু একটু ধৈর্য্য ধরুন। একটি অপেক্ষা করুন।"
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়