নিজস্ব প্রতিনিধি , ওয়াশিংটন - হরমুজ় প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার সরাসরি রণক্ষেত্রে নামল মার্কিন সেনা। সোমবার থেকে সেখানে শুরু হয়েছে পেন্টাগনের বিশেষ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম’। এই করিডোরে কোনো জাহাজে হামলা হলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে যুদ্ধের মেঘ ঘনিয়েছে।
সূত্রের খবর, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগরক্ষাকারী এই রণকৌশলগত জলপথে একটি ‘নিরাপদ করিডোর’ তৈরি করাই আমেরিকার মূল লক্ষ্য। মঙ্গলবার পেন্টাগনে এক সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্পষ্ট জানান, অপারেশন চলাকালীন কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হলে ইরানে সরাসরি বিধ্বংসী আক্রমণ চালানো হবে। মার্কিন সেনার ‘জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ’ জেনারেল ড্যান কেইনও জানিয়েছেন যে, নির্দেশ পাওয়া মাত্রই ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে তাদের বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ব ও আঞ্চলিক অর্থনীতির স্বার্থেই এই করিডোর নিরাপদ রাখা জরুরি। ড্যান কেইন অবশ্য এই পদক্ষেপকে ‘সাময়িক’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে মার্কিন প্রশাসনের এই রণংদেহী মেজাজ বলছে, জলপথে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা তারা বরদাস্ত করবে না।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো হরমুজ় প্রণালী ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য একটি নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করা। অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম চলাকালীন যদি কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তবে ইরানকে তার কড়া মাশুল দিতে হবে। আমরা কোনো রকম আপোষ করব না। আমাদের সেনা ও সেন্টকম প্রতি মুহূর্তে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে'।
এক মাসে ট্রাম্প-পুতিন! চীনের মাটিতে বিশ্ব রাজনীতির মহানাটক, অনন্য নজিরের অপেক্ষায় বেজিং
দুই নেতার বন্ধুত্বপূর্ণ শারীরিক ভাষা ও আলোচনায় দীর্ঘদিনের বরফ গলার ইঙ্গিত মিলেছে
রাস্তায় গাড়ি ফেলেই পালালেন চালকরা! বস্টনে বন্দুকবাজের তাণ্ডবে রক্তাক্ত দুই পথচারী
পাকিস্তানে ভরা বাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! পুলিশসহ মৃত অন্তত ৭, ছিন্নভিন্ন একাধিক দেহ
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটল! মে মাসেই চিন সফরে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
বায়ুসেনার নজরদারি বিমান আরসি-১৩০, পণ্যবাহী যুদ্ধবিমান লকহিড সি-১৩০ হারকিউলিস রাখা হয়েছিল
ভারতের প্রত্যাঘাতে ঘরবাড়ি ও স্বজন হারানোর সেই ‘ব্যথা’ যে এখনও মেটেনি, তা আজহারের এই হাড়হিম করা আক্রমণেই স্পষ্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের ফলে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করল
বিমানবন্দরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই যুবক রানওয়েতে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে
হাইকোর্টেও মিলল না স্বস্তি
এই ঘটনাটি বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে
দুই নেতার বন্ধুত্বপূর্ণ শারীরিক ভাষা ও আলোচনায় দীর্ঘদিনের বরফ গলার ইঙ্গিত মিলেছ...
রাস্তায় গাড়ি ফেলেই পালালেন চালকরা! বস্টনে বন্দুকবাজের তাণ্ডবে রক্তাক্ত দুই পথচার...