নিজস্ব প্রতিনিধি , ইসলামাবাদ - ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর রক্তক্ষয়ী স্মৃতি উসকে দিয়ে এবার পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগল জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার। ভারতের বিধ্বংসী প্রত্যাঘাতের সময় পাক সেনা জঙ্গিদের মরতে ছেড়ে দিয়েছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন তিনি। ভারতের প্রত্যাঘাতে ঘরবাড়ি ও স্বজন হারানোর সেই ‘ব্যথা’ যে এখনও মেটেনি, তা আজহারের এই হাড়হিম করা আক্রমণেই স্পষ্ট।
সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যুর বদলা নিতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল ভারত। ৬ মে গভীর রাতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর। আজহারের অভিযোগ, ৭ মে যখন ভারত একের পর এক হামলা চালছিল, তখন পাক সেনা তাদের কোনো সাহায্য করেনি। এই হামলায় মাসুদ আজহারের নিজের বাড়ির ১৪ জন সদস্য ও বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিহত হয়।
জইশ শীর্ষ কম্যান্ডার মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরিও এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। মজার বিষয় হলো, নিহত জঙ্গিরা পরে সামরিক সম্মান পেলেও হামলার সময় পাক সেনার পক্ষ থেকে কোনো উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়নি। মূলত দিল্লি, কাবুল ও কান্দাহারে নিজেদের স্বার্থে জইশকে ব্যবহার করলেও প্রয়োজনের সময় পাকিস্তান তাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মরতে ছেড়ে দিয়েছে বলেই দাবি করছে জইশ শিবির।
জইশ প্রধান মাসুদ আজহার এক অডিও বার্তায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানায়, ‘পাকিস্তান আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সিঁদুরের সময় যখন আকাশ থেকে আগুন ঝরছিল, তখন পাক সেনা আমাদের পিঠে ছুরি মেরেছে। তারা নিহতদের শেষকৃত্যে এসে নাটক করেছে। কিন্তু যখন সাহায্যের প্রয়োজন ছিল, তখন আসিম মুনিরের বাহিনীর দেখা মেলেনি। আমাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেল, পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে হারালাম, অথচ পাকিস্তান আমাদের রক্ষা করার ন্যূনতম চেষ্টাও করেনি। এতদিন আমাদের ব্যবহার করা হলেও আজ আমরা বুঝতে পারছি, পাকিস্তান কেবল নিজের স্বার্থ দেখে, জিহাদিদের নয়'।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের ফলে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করল
বিমানবন্দরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই যুবক রানওয়েতে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে
হাইকোর্টেও মিলল না স্বস্তি
এই ঘটনাটি বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে
কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ঘটা এই হাড়হিম করা কাণ্ডে বর্তমানে গোটা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
সাফ জানানো হয়েছে , রাষ্ট্রপ্রধানের কোনো ক্ষতি হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ
এই অলৌকিক সাফল্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে