নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর দিনাজপুর - চুরির অপবাদ দিয়ে ৪ শিশুকে নৃশংসভাবে পিটানোর অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম অর্জুন সরকার। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মারধরের ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে ডালখোলা এলাকায়। ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করেছে শাসক শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার বাসিন্দা অর্জুন সরকার একজন বিজেপি নেতা। এছাড়াও বাজারে তাঁর একটি দোকান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বহু অবাঙালি পরিবার বসবাস করেন। যাঁরা বিভিন্ন পেশায় যুক্ত থেকে কোনওরকমে সংসার চালান। কর্মসূত্রে বাড়িতে বাচ্চারা অনেক সময় একাই থাকে। শুক্রবার বিকেলে অভিযুক্তের দু’জন কর্মী সেই সুযোগে তাঁদের বাড়িতে যায়।

তাদের ক্যাটারিং দলে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাইকে চাপিয়ে শিকারপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, এরপর হঠাৎ করেই চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। অর্জুন সরকার, তাঁর ভাই ও দোকানের দু’জন কর্মী শিশুদের বেল্ট দিয়ে বেধড়ক মারতে শুরু করেন বলে দাবি পরিবারের। ঘটনাটি প্রকাশ্যে ঘটায় মুহূর্তেই আশপাশে ভিড় জমে যায়। বাচ্চারা নিজেদের ভুল জানতে চাইলে শুধু বলা হয়, 'শিকার কর চুরি করেছিস'।
এদিকে বাড়ি ফিরে বাচ্চাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজ শুরু করেন। রাত প্রায় ১০টা নাগাদ বিষয়টি জানতে পারেন তাঁরা। পরে আহতদের রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ-এ ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তারা। পরিবারের অভিযোগ, বিকেল ৫টা থেকে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে মারধর। ঘটনায় ক্ষুব্ধ আত্মীয়-পরিজন, প্রতিবেশীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। দাবি উঠেছে দোষীদের কঠোর শাস্তির।

এ প্রসঙ্গে এক পুলিশ আধিকারিক জানান, 'আইন সবার জন্য সমান। বাচ্চারা যদি কিছু ভুল করেও থাকে, তাহলে বিচার আইনের পথে হওয়া উচিত। নিজের হাতে শাস্তি দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।
আহত এক নাবালকের মা কান্না জড়ানো গলায় জানান, 'গরিব মানুষ আমরা। টাকা নেই ভালো ভাবে চিকিৎসা করানোর। বাচ্চারা চুরি করেছে, তার কোনও প্রমাণ আছে? মিথ্যে বলে ঘর থেকে নিয়ে গিয়ে মেরেছে। ওরা ঘুমাতে, খেতে পারছেনা। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। অবিলম্বে অর্জুন সরকারের শাস্তি চাই'। rate and find spelling mistake
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়