নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - শহরের বুকে ফের বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু। এন্টালি থানা এলাকার পটারি রোডে একাকী বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ ঘরে কোনো সাড়াশব্দ না মেলায় পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
সূত্রের খবর, মৃতার নাম রেখা সাহা বয়স ৫৭। এন্টালি থানা এলাকার একটি পাঁচতলা আবাসনে দ্বিতীয় তলায় একাই থাকতেন। ছেলে থাকেন বিদেশে, মেয়ে বিহারে তাই দীর্ঘদিন ধরেই একা ছিলেন রেখাদেবী। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুন্দর আলাপচারিতা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাকে খুব একটা বাইরে দেখা যাচ্ছিল না বলেই জানা যায়। শনিবার সকাল থেকে তার ফ্ল্যাট থেকে কোনরূপ সাড়া না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন প্রতিবেশীরা। বারবার ডাকাডাকিতেও কোনও সাড়া না মেলায় খবর দেওয়া হয় এন্টালি থানায়।
পুলিশ এসে এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকার পর দেখা যায়, বিছানার উপর নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন রেখা সাহা। তাকে দ্রুত এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে কীভাবে মৃত্যু, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা।
প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা নাকি অসুস্থতার কারণে মৃত্যু তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসা যাচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃতার ছেলে ও মেয়েকে খবর দেওয়া হয়েছে।
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়