নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ডিউটি শেষে বাড়ি ফিরছিলেন এক পুলিশকর্তা। ফেরার সেই পথই হয়ে উঠল মৃত্যুফাঁদ। কুয়াশাচ্ছন্ন রাতের অন্ধকারে প্রাণ গেল এক সদ্য মধ্যবয়সী পুলিশ আধিকারিকের জীবন। দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের এএসআই শাহবুদ্দিন বিশ্বাস।
বৃহস্পতিবার রাতে ডিউটি শেষ করে কলকাতার বডিগার্ড লাইনের কোয়ার্টারে ফিরছিলেন ৪৫ বছরের এএসআই শাহবুদ্দিন বিশ্বাস। তিনি ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি দফতরে দায়িত্বে ছিলেন। জানা যায়, বৈরামপুরের কাছে বাইক চালিয়ে যাওয়ার সময় পিছন দিক থেকে একটি ট্রাক আচমকাই ধাক্কা মারে তার বাইকে। কুয়াশার কারণে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে বাইকে। ধাক্কার তীব্রতায় রাস্তায় ছিটকে পড়েন শাহবুদ্দিন।
এরপর ঘাতক ট্রাকের চাকা পুলিশ আধিকারিকের কোমরের ওপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পুলিশের এএসআই অফিসারের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ডিসি সৈকত ঘোষ-সহ ভাঙড় ডিভিশনের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তারা। ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করলেও চালক পলাতক। তার সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার জেরে বাসন্তী হাইওয়েতে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়লেও, পুলিশ দ্রুত দেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়