নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম সেরা অভিনেতা ছিল বিনোদ খান্না। ধুরন্ধর কাঁপানো অক্ষয় খান্নার বাবা হিসেবে নয় তাকে তার নিজস্ব পরিচয়েই চেনেন সকলে। তার অভিনয় এখনও মনে গেঁথে আছে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। ২০১৭ সালে মূত্রাশয়ের ক্যান্সারের জন্য প্রয়াত হয়েছিলেন বিনোদ খান্না। তবে শুধু মূত্রাশয়ের ক্যান্সার নয় আরও একটি কঠিন অসুখ গ্রাস করেছিল অভিনেতাকে। এছাড়াও , অভিনেতার একটি বিরাট বাজে অভ্যাস নিয়েও মুখ খুললেন দ্বিতীয় স্ত্রী কবিতা খান্না।
কবিতা খান্না বলেছেন , "২০০১ সালে বিনোদের ফুসফুসের ক্যান্সার ধরা পড়ে। তিনি তার বার্ষিক চেকআপের জন্য গিয়েছিলেন, এবং তারা ফুসফুসে দাগ দেখতে পান। তিনি দিনে ৪০ থেকে ৮০টি সিগারেট ধূমপান করতেন। আমরা মুম্বাইয়ের শীর্ষস্থানীয় এমআরআই বিশেষজ্ঞদের কাছে গিয়েছিলাম, এবং তারা সকলেই বলেছিলেন যে এটি ফুসফুসের ক্যান্সার। ফুসফুসের অর্ধেক অপসারণ করতে হবে বলে জানিয়েছিল চিকিৎসকরা।"
তারকা দম্পতি রোগ নির্ণয় গোপন রাখতে চেয়েছিলেন। অস্ত্রোপচারের আগে তাদের আধ্যাত্মিক নেতা শ্রী শ্রী রবি শঙ্করের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন যে, গুরুদেব তাদের প্রথমে দিল্লির এইমসের অনকোলজি বিভাগের প্রধানের সাথে পরামর্শ করার কথা বলেছিলেন। পরীক্ষা করতে হবে যে প্রক্রিয়াটি এক বা দুই মাস বিলম্বিত হতে পারে কিনা ও বিনোদ শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে মনোনিবেশ করতে পারেন কিনা।
এরপর কবিতা বলেন, "পরে, আমরা জার্মানি গেলাম। এক সন্ধ্যায়, বিনোদের কাঁধের কোথাও একটা ভয়ানক ব্যথা শুরু হল। তিনি দুদিন ধরে ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন। তারপর গুরুদেব তাঁর অবস্থা দেখতে এলেন। তারপর X Ray করার পরামর্শ দিলেন। পাঁজরের কোনও ভাঙা হাড় ছিল না। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কোনও ক্যান্সার নেই। অবিশ্বাস্য! আমরা লন্ডন থেকে ফিরে এসেছিলাম। তারা সমস্ত রিপোর্ট দেখল। কিন্তু মেনে নিতে পারেনি যে সম্পূর্ণ নিরাময় হয়েছে। তারা কেবল ভেবেছিল ভারতে রিপোর্টগুলি গণ্ডগোল হয়েছে। কোনও ফুসফুসের ক্যান্সার নেই।"
২০১০ সালে বিনোদ খান্নার মূত্রাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। কবিতা বলেন , "পূর্বাভাস ছিল যে যদি তিনি অ্যালোপ্যাথির সমস্ত চিকিৎসা করেন তাহলে দুই বছর পর তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ২৫% ছিল। বিনোদ তখন গুরুদেবকে ফোন করে বলেন, 'আমি একটি পূর্ণ জীবন যাপন করেছি। আর যদি আমার চলে যাওয়ার সময় এসে যায়। তাহলে আমি যেতে প্রস্তুত। কিন্তু আমি আমার শরীরকে নির্যাতন করতে চাই না।' তাই, গুরুদেব তাকে আশ্রমে এসে পঞ্চকর্ম করতে বলেন। প্রথমবার ধরা পড়ার পর থেকে দুই বছরের মধ্যেই ক্যান্সার চলে যায়। এরপর আধ্যাত্মিক গুরু বিনোদকে মদ্যপান ছেড়ে দিতে বলেন।"
উল্লেখ্য , ২০১৭ সালে ৭০ বছর বয়সে প্রয়াত হন বিনোদ খান্না। তিনি মূত্রাশয়ের ক্যান্সারে ভুগছিলেন ও মুম্বাইয়ের এইচএন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী গীতাঞ্জলির সঙ্গে দুই পুত্র রয়েছে। যারা , রাহুল খান্না ও অক্ষয় খান্না। ১৯৮৫ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পাঁচ বছর পর তিনি কবিতার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যার সঙ্গে তার দুটি সন্তান হয় - সাক্ষী ও শ্রদ্ধা।
ধুরন্ধর ছবির সাফল্যের পরেই ফারাহানকে ধোকা রণবীরের
ভিডিওটি ভীষণই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়
ভিকির ছবিটি ভীষণই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়
বুধবার আত্মসমর্পণ করেন অভিনেতা
ভাইজানের উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক শোরগোল তুঙ্গে
এপ্রিলে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল এই ছবির
একসঙ্গে জোড়া মামলা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে
অভিযোগ পিছু ছাড়ছেনা স্যান্ডির
বিচ্ছেদ জল্পনার পর নয়া চমক সুনীতার
বড়সড় শাস্তির সম্ভাবনা অভিযুক্ত শমীকের
ঘটনায় চরম বিতর্ক সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিনোদন জগতে
ঘটনায় ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে শমীক
ছবি ঘোষণার পর থেকেই রাতের ঘুম উড়েছে অভিনেতার
রাজ্যসভার প্রথম ভাষণেই লাইমলাইট কাড়লেন দক্ষিণী অভিনেতা
বৃহস্পতিবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে শমীকের বিরুদ্ধে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন
আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু চুক্তিতে রাজি ইরান
অবশেষে হাঁপ ছেড়ে বাঁচল বাংলাদেশ
চীনের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য
প্রশ্ন পাকিস্তানের বিরোধী দলের