নিজস্ব প্রতিনিধি , আবু ধাবি - একই টেনিস কোর্টে দুই ভিন্ন লিঙ্গের লড়াই। প্রতিযোগিতা ব্যাটেল অফ সেক্সেস নামে পরিচিত। ১৯৭৩ সালে প্রথম এই প্রতিযোগিতায় হয়। ফের আয়োজিত হল ২০২৫ সালে। যেখানে মুখোমুখি হন এরিনা সাবালেঙ্কা ওনিক কিরিয়স। যেখানে ধারাভাষ্য দিতে দেখা গেল টেনিস কিংবদন্তি সানিয়া মির্জাকে। পুরুষ , নারীর এই লড়াইকে পরখ করে নিতে সুবিধে , অসুবিধে বুঝতে এই ম্যাচ পরীক্ষা করা হয়।
অনেক পরীক্ষানিরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন , কোর্টে চলাফেরার ক্ষেত্রে পুরুষদের থেকে নারীরা ৯ শতাংশ ধীর। এর উপায়ও হিসেবে কিরিয়সের মতো সার্ভ নির্ভর খেলোয়াড় যাতে বাড়তি সুবিধা না পেয়ে যান তাই সাবালেঙ্কার কোর্ট প্রতিপক্ষের থেকে ৯ শতাংশ ছোট করে দেওয়া হয়। দুটি আলাদা মাপের কোর্টে খেলেন দুজন। নিয়মেও বদল আনা হয়। বলা হয় , তিন সেটের ম্যাচ হবে। প্রথম দুই সেটের পর ফলাফল ১-১ থাকলে টাইব্রেকার হবে ১০ পয়েন্টের। সেখানেই হবে ফয়সালা। যদিও সেসবের প্রয়োজন হয়নি। ৬-৩ , ৬-৩ ব্যবধানে হার মানেন সাবালেঙ্কা।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন , "আমি প্রতিশোধ নিতে ভালোবাসি। আবারও চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি। তাই আবারও খেলতে চাই। খুবই উপভোগ্য একটা ম্যাচ হয়েছে। জোরদার লড়াই করেছি। অনেক ভালো শট মেরেছি। কিছু ভালো ড্রপ শটও খেলেছি। নিক সত্যিই ভালো সার্ভ করেছে। তবে পরেরবার ওকে হারাব। কারণ আমি ওর শক্তি-দুর্বলতাগুলো জানি। নিশ্চিতভাবে আরও ভালো ম্যাচ হতে চলেছে।"
কিরিয়স বলেন , "ভীষণই কঠিন একটা ম্যাচ ছিল। সাবালেঙ্কা অনবদ্য খেলোয়াড়। ও একজন চ্যাম্পিয়ন। একাধিক গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছে। ও আমার সার্ভ অনেকবার ভেঙেছে। এখানে খেলাটা দুর্দান্ত একটা সুযোগ ছিল।"
উল্লেখ্য , ১৯৭৩ সালে এমনই একটা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই লড়াই বিখ্যাত হয়ে আছে ‘ব্যাটেল অফ সেক্সেস’ নামে। সেই সময় বিশ্বের দু’নম্বর মহিলা তারকা বিলি জিন কিং হারিয়েছিলেন ববি রিগসকে।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...