নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিধান ভবনে শুক্রবার দুপুরে কংগ্রেসের ব্যনার ছিঁড়ে আগুন জ্বালিয়ে পালায় বিজেপির কিছু দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে চলে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। জার যেরে শনিবার সকালে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে খংগ্রেসের পক্ষ্য থেকে চলে বিক্ষোভ।
সূত্রের খবর , কলকাতার বিধান ভবনে প্রবেশ করে কংগ্রেসের ফেস্টুন ব্যানার ছিড়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বিজেপির কিছু দুষ্কৃতী। এমনকি কংগ্রেস নেতাদের ছবিকে কালিমালিপ্ত করার অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার বিরুদ্ধে শনিবার সকালে নদীয়ার শান্তিপুরে নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুলে আগুন লাগিয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে তীব্র বিক্ষোভ দেখান জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। প্রায় আধঘন্টা ধরে চলে অবরোধ।

উল্লেখ্য , শান্তিপুরের কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন এই কর্মসূচিতে। তাদের দাবি , যেভাবে জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান কার্যালয় হামলা চালিয়েছে বিজেপি তার বিরুদ্ধে তাদের এই প্রতিবাদ। তবে এখনো দুষ্কৃতীরা অধরা। বিজেপির এই দুষ্কৃতী এখনো কেন গ্রেফতার হয়নি তা নিয়েও চলে প্রতিবাদ। অন্যদিকে তারা বলেন 'নরেন্দ্র মোদি ভোট চুরি করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন'। অবিলম্বে তার পদত্যেগ করা উচিত।

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে কংগ্রেস কমিটির সদস্য অলোক চ্যাটার্জি এপ্রসঙ্গে জানান , ''বিজেপির কিছু দুষ্কৃতী আচমকা বিধান ভবনে প্রবেশ করে কংগ্রেসের কিছু নেতাদের ছবিতে কালি লাগিয়ে দেয়। এমনকি কংগ্রেসের ব্যানার ছিড়ে দেয়। আমাদের কর্মীরা ভেতর থেকে বেরিয়ে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আমরা অভিযোগ করা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত দুষ্কৃতীরা অধরা। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতারের দাবিতে শনিবার সকালে আমরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছি। নরেন্দ্র মোদির কুশপুতুলে জ্বালিয়ে আমরা আমাদের বিক্ষোভ প্রদর্শন করছি। এমনকি নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগেরও দাবি জানাচ্ছি আমরা।''
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়