নিজস্ব প্রতিনিধি, তেহরান - চরম অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান। এর মধ্যে একের পর এক হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চরমে চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত। এই আবহে অগ্নিগর্ভ ইরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। এর পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা করেছে ইরান।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরানের পথে আমাদের অনেক জাহাজ আছে। সেখানে একটি বিমানবাহী রণতরীও আছে। আমি চাই না কিছু ঘটুক, তবে কী হয় তা আমাদের দেখতে হবে। আগামী দিনগুলিতে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য আমেরিকা এই অঞ্চল জুড়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
এরপরই ইরান সরকারের এক শীর্ষ কর্তা জানান, “হাতে যা আছে, আমরা তার সব কিছু ব্যবহার করতে প্রস্তুত। আমাদের উপরে যে কোনও আক্রমণ - সেটা ছোট, বড়, সার্জিক্যাল, কাইনেটিক বা যা-ই হোক না কেন, আমরা যুদ্ধ হিসেবে দেখব এবং সবচেয়ে কড়া জবাব দেব।”
উল্লেখ্য, হিজাব ছাড়া খোলা চুলে বিক্ষোভ করছেন মহিলারা। এমনকি প্রকাশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ছবিতে আগুন জ্বালিয়ে সিগারেট ধরাচ্ছেন তারা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা এবং বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় টেলিফোন লাইনের সংযোগ। তেহরান, মাশহাদ সহ মোট ৪০ টি শহরে প্রতিবাদে পথে নেমেছে সে দেশের অগণিত মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষের। গ্রেফতার করা হয়েছে কমপক্ষে ২৫০০ জনকে। এর মধ্যে ৬ জন ভারতীয় রয়েছে। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে খামেনেই সরকার।
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর