নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ব্যস্ত কর্মদিবসের সকালেই ফের বিপর্যয় কলকাতা মেট্রো পরিষেবায়। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণেশ্বর ও নোয়াপাড়ার মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো চলাচল। এর ফলে অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তির মুখে।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনের পয়েন্টে আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ ধরা পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই দক্ষিণেশ্বর থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ওই রুটের যাত্রীরা আটকে পড়েন। যদিও নোয়াপাড়া থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো স্বাভাবিক গতিতে চলেছে বলে জানা যায়। হঠাৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দক্ষিণেশ্বর ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাওয়া নিত্যযাত্রীদের পড়তে হয় চরম সমস্যায়।
মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনের পয়েন্ট মেশিনে কিছু সমস্যা ধরা পড়ে। ইঞ্জিনিয়ারদের একটি বিশেষ দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেছে। তবে সমস্যা ঠিক করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেই জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে কলকাতা মেট্রোর এই ধরনের বিভ্রাটের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। কখনও টানেলে জল ঢোকায়, আবার কখনও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় থমকে গিয়েছে পরিষেবা। এতে যাত্রীদের ক্ষোভও বেড়েছে বহুগুণ।
শুক্রবারের মধ্যে কমিশনের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়