নিজস্ব প্রতিনিধি , কলম্বো - আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই মহাযুদ্ধের আগেই নতুন করে যুদ্ধে জড়িয়েছে ভারত বাংলাদেশ। পাকিস্তান আবার বাংলাদেশের পাশে থাকার নাম করে ভারতের বিরোধিতা করছে। এমতাবস্থায় তিন দেশকে নিয়েই মুখ খুললেন শ্রীলঙ্কা বোর্ড।
ভারতে এসে পাকিস্তান খেলবেনা। তাই তাদের ম্যাচগুলি রাখা হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। আবার বাংলাদেশও সেই সুর তোলায় কোনোভাবেই দাবিতে রাজি হয়নি আইসিসি। আবার অতীতে এশিয়া কাপে ভারতও নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসাবে অতীতে শ্রীলঙ্কায় খেলেছে। অর্থাৎ, তিন দেশের টানাপোড়েনের মাঝে লাভ হয়েছে শ্রীলঙ্কার। তাই তিন দেশকেই আপন বলছে শ্রীলঙ্কার এক বোর্ড কর্তা।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে এই ইস্যুতে মুখ খুলেও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখলেন। লঙ্কা বোর্ডের ওই কর্তা বলছেন , "বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের এই লড়াইয়ে আমরা নিরপেক্ষ ছিলাম। এখনও আছি। প্রত্যেকেই আমাদের বন্ধু দেশ।কোনওরকম আঞ্চলিক বিরোধে জড়িয়ে পড়তে চায় না কলম্বো। আমরা জানি ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ ব্যাপারে আমরা নিরপেক্ষ থাকছি।"
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়