নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই গোটা বাজার। চোখের সামনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল গোটা বাজার। নতুন বছরের মুখে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পথে বসেছে বিরাটি যদুবাবুর বাজারের ব্যবসায়ীরা। দমকলের ওপরেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সর্বহারা ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , সোমবার গভীর রাতে উত্তর দমদম পুরসভার অন্তর্গত বিরাটির যদুবাবুর বাজারে বিধ্বংসী আগুন লাগে। প্রথমে একটি দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলিতে। খবর পেয়ে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে সকাল ছ’টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মোট ১৮৯টি দোকানের মধ্যে হাতে গোনা দু-চারটি দোকান ছাড়া প্রায় সবকটিই পুড়ে গিয়েছে।
এই অগ্নিকাণ্ডে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উত্তর দমদম পুরসভার অন্তর্গত বিরাটির যদুবাবুর বাজারটি রেললাইন সংলগ্ন বহু বছরের পুরনো বাজার। মাছ, মাংস, সবজি ও মুদি দোকান মিলিয়ে জমজমাট এই বাজারে ২০০১ সালেও আগুন লেগেছিল। তখন গোটা বাজার নতুন করে তৈরি করা হয়। দীর্ঘ বছর পর ফের আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আগুনে সব হারিয়ে বাজারের এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন,'আমরা বলার অনেক পরে দমকল এসেছে। তাও আধা ট্যাঙ্ক জল নিয়ে। তাতে এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসবে না দেখে তারপর আরও ইঞ্জিন আসে। প্রথমেই যদি দমকল সময় মতো আসতো তাহলে বাজারটা বাঁচানো যেত'।
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর