নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ২৬ এর বিধানসভার উত্তপ্ত হাওয়া বইছে বেশ কয়েকমাস ধরেই। আর কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে ভোটের প্রচার। আর প্রচার মানেই দেওয়াল লিখন। দেওয়ালের এক একটি দল তাদের বানি লিখে ভোট ভিক্ষা চাইবেন। তবে হাড়োয়ার চিত্র এখন থেকেই উত্তপ্ত। দেওয়াল দখল নিয়ে রীতিমত ধুন্ধুমার কাণ্ড শুরু করে দিয়েছে দুই শিবির।

সূত্রের খবর , ঘটনাটি হাড়োয়ার গোপালপুর এলাকায়। ২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য বিভিন্ন দেওয়ালে দেওয়ালে চুন দেওয়ার কাজ শুরু করেছে বিজেপি কর্মীরা। বাড়ির মালিকদের অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন দেওয়ালে দেওয়ালে চুন দিয়ে দেওয়াল লিখন এর প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি। ঠিক সেখানে বাঁধা দিয়েছে শাসক শিবির। সেই সমস্ত দেওয়ালে তৃণমূল সবুজ কালী দিয়ে লিখে দেয় এই দেওয়ালে বিজ্ঞাপন মারিবেন না। সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।
তৃণমূলের এই মস্তানি ঠেকাতে এবার ঈশ্বরের শরণাপন্ন হতে হল বিজেপিকে। তৃণমূলের দখল নেওয়া সমস্ত দেওয়ালে পাল্টা বিভিন্ন ঠাকুর দেবতার ছবি লাগিয়ে দেয় বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, এই সমস্ত দেওয়াল পরে তৃণমূল নিজেদের প্রচারের জন্য দেওয়াল লিখন করবেন। এই সমস্ত দেওয়ালে যাতে তৃণমূল বা অন্যান্য কোন দলের কর্মীরা ভোটের প্রচার স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে তাই এলাকার বিজেপি কর্মী রাজেন্দ্র সাহার নেতৃত্বে বেশ কিছু বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে মা কালী, বাবা মহাদেব সহ বিভিন্ন দেবদেবীর ছবি টানিয়েছেন।

ঘটনায় এক বিজেপি নেতা জানিয়েছেন , "আমরা আগে দেওয়ালে চুন দিয়েছিলাম। তারপর তৃণমূল রাতের অন্ধকারে সেসব দেওয়ালে লিখে দিয়েছে বিজ্ঞাপন মারিবেন না। প্রথমত ঠিক নয় , দ্বিতীয়ত সেইসব দেওয়ালে আমরা দেবদেবীর ছবি লাগিয়েছি। এবার দেখা যাক তৃণমূল কি করে। ওরা কি মা কালী , মহাদেবের ছবি তুলে ভোটের প্রচার করবে। তাহলে বোঝা যাবে তৃণমূল সবচেয়ে বড় সনাতন বিরোধী।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়