নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - নির্বাচনের আবহে বিজেপির দলীয় পতাকা-সহ ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার পোড়াগাছা এলাকায়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৯ শে এপ্রিল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তাই প্রচারের স্বার্থে পোড়াগাছা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ ও ২৩৪ নম্বর বুথ এলাকায় পদ্ম শিবিরের বহু নিশান ও পোস্টার লাগানো হয়েছিল। বুধবার সকালে কর্মীদের নজরে আসে, প্রার্থী তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়ের একাধিক ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে রাখা হয়েছে। এই দৃশ্য দেখে সমর্থকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়।

গেরুয়া শিবিরের দাবি, ২ দিন আগেই IPAC-এর কর্ণধার দিল্লি থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। শাসকদল এখন দিশেহারা। তাই তাদের আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী পরাজয়ের ভয়ে রাতের অন্ধকারে এই তাণ্ডব চালিয়েছে। এছাড়া বিরোধীদের অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। কারণ বারবার নালিশ জানানো সত্ত্বেও কোনো প্রতিকার পায়নি তারা।
বিজেপি মন্ডল সভাপতি আনন্দ মন্ডল জানান, 'এখানে বিগত ৩-৪ দিন ধরে পোস্টার ছেঁড়া চলছে। সারা রাজ্যে তৃণমূলের যা অবস্থা তাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজের ছায়া দেখেও ভয় পাচ্ছেন। দলনেত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আমরা চাইলেই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারতাম। তবে অমিত শাহ বলে দিয়েছেন ৪ মে আমজনতা এর জবাব দেবে। আমরা সংবিধানে আস্থা রাখি বলে পুলিশের ওপর এখনও ভরসা রাখছি'।
তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মনোজ বালো জানান, 'এটা বিজেপির চক্রান্ত। হারের আতঙ্কে তারা আমাদের দোষী প্রমাণ করতে চাইছে। তাই এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা এমন কুরুচিকর কাজ করি না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক হিসেবে আমরা সবসময় জনগণের সঙ্গে থাকি। আসন হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় বিজেপি নিজেদের মধ্যে মারামারি করে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
মোদি দেশকে বেচে দিয়েছে , বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুলের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়