নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ভোট গণনাকে ঘিরে আইনি জট কাটল সুপ্রিম কোর্টে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের গণনাকাজে ব্যবহারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের আপত্তি খারিজ করে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকাকেই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে ৪ মে গণনার দিন কেন্দ্রীয় কর্মীদের ভূমিকা নিয়েই এগোবে পুরো প্রক্রিয়া।
শনিবার বিচারপতি পি এস নরসিংহ এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বিশেষ বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল যুক্তি দেন, ' গত ১৩ এপ্রিল জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশিকা পাঠায় কমিশন। তাতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরাই ভোটগণনা কেন্দ্রে কাজ করবেন। তবে এই বিজ্ঞপ্তির কথা আমরা জানতে পারি ২৯ এপ্রিল। কমিশন আশঙ্কা করেছে অশান্তি হতে পারে। কেন এই আশঙ্কা করা হচ্ছে?'
তৃণমূলের আইনজীবীর পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, ' প্রতি গণনা টেবিলে মাইক্রো অবজার্ভার হিসাবে একজন করে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী রয়েছেন। নতুন করে কেন কেন্দ্রীয় কর্মী রাখার প্রয়োজন? রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন রাখা হবে না?' অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রিটার্নিং অফিসারের হাতে থাকে, যিনি রাজ্য সরকারেরই আধিকারিক। পাশাপাশি প্রতিটি প্রার্থীর নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট উপস্থিত থাকবেন, ফলে স্বচ্ছতা নিয়ে কোনও আশঙ্কার কারণ নেই।
উভয় পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের আলাদা করে দেখার কোনও অবকাশ নেই তারা সকলেই সরকারি আধিকারিক। তাই কমিশনের নির্দেশিকাকে বেআইনি বলা যায় না। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এই নির্দেশিকা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়।
নতুন ওসি করা হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে
কলকাতা পুলিশ কমিশনারকেও চিঠি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস
এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভোটের বাজারে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে
৬ তারিখ ফের তলব করা হয়েছে সুজিত বসুকে
সল্টলেক পার্টি অফিস থেকেই সরাসরি দিল্লিতে পৌঁছবে মিনিটে মিনিটে আপডেট
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও
পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী
বিধানসভা নির্বাচনের আবহে হেভিওয়েট এই মন্ত্রীর হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে
শেষ লগ্নেও বুথের বাইরে লম্বা লাইন মানুষের
ভোট মিটলেও সতর্ক কমিশন
বাংলা থেকে বিজেপিকে প্রত্যাখানের ডাক
৬ টার পরেও ভোটার থাকলে ভোট চলবে নির্দেশ কমিশনের
বৃদ্ধের মৃত্যু ও শিশুর ওপর আঘাতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল
কলকাতা দক্ষিণে তুলনামূলকভাবে কম ভোটদানের হার লক্ষ্য করা গেছে
ফলতায় ইভিএম মেশিনে টেপ লাগানোর ঘটনায় কড়া অবস্থান সিইওর
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে...
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও