নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বোমা-গুলির আতঙ্ক নয়, দ্বিতীয় দফার ভোটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশের সাক্ষী থাকল বাংলা। তবে ভোট মিটতেই নতুন করে সতর্ক নির্বাচন কমিশন। ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই এবার বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজ্যে আপাতত মোতায়েন থাকছে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অতীতের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। গত নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল কমিশনকে।
এইবার তাই কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন। দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয় এবং বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার পৌঁছয় ৮৯.৯৯ শতাংশে যা প্রথম দফার তুলনায় সামান্য বেশি। ভোট চলাকালীন বড় ধরনের অশান্তির খবর সামনে না এলেও বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাউন্টিং এজেন্টদের সতর্ক থাকার বার্তা মমতার
নতুন ওসি করা হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে
কলকাতা পুলিশ কমিশনারকেও চিঠি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস
এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভোটের বাজারে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে
৬ তারিখ ফের তলব করা হয়েছে সুজিত বসুকে
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকেই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত
সল্টলেক পার্টি অফিস থেকেই সরাসরি দিল্লিতে পৌঁছবে মিনিটে মিনিটে আপডেট
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও
পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী
বিধানসভা নির্বাচনের আবহে হেভিওয়েট এই মন্ত্রীর হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে
শেষ লগ্নেও বুথের বাইরে লম্বা লাইন মানুষের
বাংলা থেকে বিজেপিকে প্রত্যাখানের ডাক
৬ টার পরেও ভোটার থাকলে ভোট চলবে নির্দেশ কমিশনের
বৃদ্ধের মৃত্যু ও শিশুর ওপর আঘাতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল
কলকাতা দক্ষিণে তুলনামূলকভাবে কম ভোটদানের হার লক্ষ্য করা গেছে
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে...
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও