নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাটপাড়ায় দুই বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। মারধরের জেরে গুরুতর আহত হন বিরোধী দলের কর্মীরা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুজন। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভাটপাড়ায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুজনেই NIA সাক্ষী হওয়ায় তাদের খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলের।
সূত্রের খবর , কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গলিতে দুজনের ওপর হামলা চালানো হয়। আহতদের নাম দেব যাদব , রবি বর্মা। দুজনেই বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের ওপর বোমা হামলার সাক্ষী। রবি বর্মা প্রিয়াঙ্গুর গাড়ি চালক। ঘটনায় সবথেকে বেশি আহত হয়েছেন রবি বর্মা। তাকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জেএনএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির অভিযোগ , এর আগেও শাসক দলের দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। এবার সাক্ষীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

বিজেপি কর্মী রবীন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী ওরফে রবি জসওয়াল জানিয়েছেন , "দলের কাজ শেষে প্রিয়াঙ্গু পান্ডের বাড়ি থেকে ফিরছিলেন রবি বর্মা , দেব যাদব। তারা বেরোতেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। সকলেই চেনা। অমিত প্রসাদ, বাবলু সাউ, গনেশ তাঁতী সহ কয়েকজন দুষ্কৃতি দেব যাদব ও রবি বর্মাকে ওপর ইট, পাথর নিয়ে চড়াও হয়। তাদেরকে বেধড়ক মারধর করে। যেহেতু ওরা NIA-র সাক্ষী তাই ওদেরকে খুন করার চক্রান্ত চলছে। তৃণমূল বরাবরই ওদের দোষ ঢাকার চেষ্টা করে। জোর খাটিয়ে প্রভাব খাটিয়ে সব প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চালায়। এবারও তাই করছে। আবার উল্টে পুলিশ রবি বর্মাকে থানায় নিয়ে গিয়েছে। পুলিশকেও কিনে নিয়েছে তৃণমূল।"
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর