নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - সরকারি প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত সোলার আলো তৃণমূলের কার্যালয়ের সামনে বসানোর অভিযোগে সোচ্চার হলেন গ্রামবাসী। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইংরেজবাজারের অন্তর্গত কাজিগ্রাম এলাকায়। যদিও বিষয়টি বিজেপির চক্রান্ত বলে দাবি করে শাসক দল। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , সম্প্রতি বাগবাড়ি ৫২ বিঘা গ্রামে 'আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান' প্রকল্পে ৩টি সোলার লাইট বরাদ্দ হয়। পঞ্চায়েত সমিতির ব্যবস্থাপনায় সেগুলি বসানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে , ২টি ইউনিট যথাস্থানে লাগানো হলেও অন্যটি গ্রামের পাশে ফাঁকা জায়গায় থাকা তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে স্থাপন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় সরাসরি অভিযোগের তির ওঠে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সম্পা সেনের স্বামী তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ সেনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকাজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। থানায় ও জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন বাসিন্দা বাপ্পা মণ্ডল।
জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি রফিকুল হোসেন জানান, 'যে কোনও সরকারি প্রকল্প নির্দেশ মেনে নির্ধারিত স্থান, সময় অনুযায়ী করতে হয়। অনুমতি ছাড়া কেউ ভিন্ন কিছু করলে সেটা আইনত অপরাধ। অঞ্চল প্রধান ও বিডিও-র সঙ্গে কথা বলবো এই বিষয়ে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।
জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, 'এই সরকার আসার পর উন্নয়ন শুধু তৃণমূল নেতাদের হয়েছে, সাধারণ মানুষের নয়। ২০২৬-এ শাসক দলকে না সরালে আগামীদিনে মানুষের টাকা অপব্যবহার বন্ধ হবে না। প্রয়োজন পড়লে গ্রামবাসীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো'।
অন্যদিকে অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ সেন জানান, 'ভালো কাজ হলেই বিজেপি ভাবে তা কি করে খারাপ করা যায়। মা মাটি মানুষের সরকার যা করছে তাতে হিংসে হচ্ছে বিরোধীদের। এই লাইট আমি নিজের টাকা খরচ করে বানিয়েছি। পুরো গ্রামের জন্য মোট ৩৩টি বাতি এসেছে। হিসেব মিলিয়ে যে কেউ দেখে নিতে পারে সব রয়েছে কি না। এরকম চক্রান্ত করে ভোটে জেতা সম্ভব নয়'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়