নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - একাধিক মন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনায় পুলিশের তৎপরতায় গ্রেফতার হল অভিযুক্তরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শান্তিপুর। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের পিছনে থাকা মূল চক্রীদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই সাফল্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে এলাকাবাসীর মনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , গত কয়েক মাস ধরে এলাকার বিভিন্ন মন্দিরে ধারাবাহিকভাবে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে ছিল কালনার একটি মন্দির, শান্তিপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের বাসভবন সংলগ্ন শিব মন্দির। প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন চুরির ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র নির্ণয়ে দেরি হওয়ায় তদন্তে বাধা আসে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রাণাঘাট এসপি আশীষ মৌর্যা একটি বিশেষ দল গঠন করেন।

সেই দল নিরলসভাবে মাঠে নেমে তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। টানা নজরদারি ও গোপন অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে অবশেষে সামনে আসে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। রবিবার সেই তথ্যের ভিত্তিতে শান্তিপুরের বাসিন্দা চন্দন দাসকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর উঠে আসে তাঁর সহযোগী আবদার শেখের নাম। পরবর্তীতে সূত্রাগড় অঞ্চলের সোনার ব্যবসায়ী অরুণ দত্তকেও আটক করে পুলিশ।
অভিযোগ, চুরি যাওয়া সমস্ত অলংকার ওই ব্যবসায়ীর কাছেই বিক্রি করা হয়েছিল। রাতে অভিযুক্তদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় প্রায় এক কেজি ওজনের সোনা ও রুপোর গয়না। পাশাপাশি মেলে বিভিন্ন মন্দিরে ব্যবহৃত পিতলের সামগ্রী। সব মিলিয়ে, পুলিশের সমন্বিত পদক্ষেপে দীর্ঘদিনের আতঙ্কের অবসান ঘটলেও তদন্ত এখনও চলমান।
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, 'এই ঘটনার কিনারা করতে আমাদের দলকে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয়েছে। চন্দন দাসই হল মূল অভিযুক্ত। আরও কিছু অপরাধের তথ্য আমরা পেয়েছি, যদিও সেগুলি এখনও যাচাইয়ের স্তরে রয়েছে। ধৃতদের আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়ার পর তদন্ত আরও গভীরভাবে এগোবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়