নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি - মঙ্গলবার দুপুরে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯১ টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। ৩ টি আসন ছেড়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ৭৪ জন বিধায়ক। সেই তালিকায় রয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজগঞ্জ বিধানসভার ৪ বারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। এবার ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
২০০৯ সাল থেকে জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে বিধায়ক হয়েছেন খগেশ্বর রায়। এবারও ভেবেছিলেন তাঁকেই প্রার্থী করবে তৃণমূল। কিন্তু রাজগঞ্জ থেকে এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মনকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ ৪ বারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। তিনি জানিয়েছেন, “দলের কাছ থেকে এই আঘাত প্রত্যাশা করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দলের হয়ে লড়াই করছি। ২০০৯ সালে উত্তরবঙ্গে বাম দুর্গে আমিই প্রথম ফাটল ধরাই। টাকার কাছে হেরে গেলাম।“
খগেশ্বর পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করতেই তৃণমূলের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শাখা সংগঠনের নেতারা। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে স্বপ্না বর্মন জানিয়েছেন, “আমার বাবা খুব অসুস্থ। তাঁকে নিয়ে শিলিগুড়িতে রয়েছি। দিদি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা হবে। এখানে আমার কিছু বলার নেই।“
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়