নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা - বৃহস্পতিবার I-Pac-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে হানা দেয় ইডি। ইডির অভিযানের মাঝেই লাউডন স্ট্রিটে I-Pac-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। এবার তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ইশারায় I-PAC-এ হানা দিয়েছিল ইডি। প্রমাণস্বরূপ একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন তিনি।
রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন কুণাল ঘোষ। সেই স্ক্রিনশটে লেখা, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে বলছেন, খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপ্তসহায়ক সাকেত কুমারের থেকে তিনি জানতে পেরেছেন ইডির ১৩ আধিকারিক এবং একজন ডেপুটি ডিরেক্টর দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন। একজন আসবেন মহারাষ্ট্র থেকে। গুলশান রাই নামের একজন সাইবার বিশেষজ্ঞ আসছেন। তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সিজিও কমপ্লেক্সে জরুরি বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে।
এরপরই কুণাল লিখেছেন, “I-PAC অফিসে তল্লাশির নামে বৃহত্তর চিত্রনাট্যের নেপথ্যকাহিনী? সূত্র মারফৎ পাওয়া দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথনের এই মেসেজ সত্যি হলে চক্রান্তের পুরোপুরি তদন্ত দরকার। আশা করি পুলিশের তদন্তকারীরা দেখবেন। ইডির গতিবিধি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস থেকে নিয়ন্ত্রিত? প্রশ্নটা উঠছে। খতিয়ে দেখা দরকার। সত্যি হলে মারাত্মক।“
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়