নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - ৫ই নভেম্বর। ভারতীয় ক্রিকেটের গৌরবময় দিন। আজ ৩৭-এ পদার্পণ করলেন বিরাট কোহলি।যিনি রেকর্ড তাড়া করেন না , বরং রেকর্ড তাকে ধাওয়া করে , হ্যাঁ তারই নাম বিরাট কোহলি। দেশের জার্সি গায়ে তুলতেই সেরার দৌড়ে সফল হওয়ার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলেন। সেটা যে কোনো সাধারণ প্রতিজ্ঞা নয় তা ধীরে ধীরে প্রমাণ পেল খেলায়। তাবড় তাবড় বোলারদের স্বাগত জানিয়ে তাদের বাউন্ডারি পার করতেন। বছর যতই গড়াল রেকর্ড ততই বাড়ল। সেই রেকর্ড গড়তে গড়তেই আজ শচীন তেন্ডুলকরের পর সবচেয়ে বেশি শতরানের মালিক বিরাট কোহলি।
ভারতের হয়ে খেলার কয়েকবছর পরই শুরু হল বিরাটকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন লেখা। সকলেই তখন বিশেষজ্ঞের চোখ দিয়ে বিরাটের ভবিষ্যত দেখে শুরু করলেন। সকলের মুখেই তখন একই কথা , "এই ছেলেটা একদিন ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার হবে।" হয়েছেও তেমনই , বলাবাহুল্য , সুপারস্টারের থেকে অনেকবেশি কিছুই হয়েছে। যিনি আউট হলে গোটা ভারতবাসীর হৃদয় কেঁপে ওঠে। যার অবসরের কথা শুনলে চোখে জল আসে তাদের। দেশের জার্সিতে শুরুটা অনেকেরই ভাল হয়না , তবে বিরাটের সেই শুরুর বছরই আজ তাকে কিং কোহলির আখ্যা দিয়েছেন। শুরুর দিকের কিছু বছর সেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংই আজ বিরাটকে নয়নমণি করে তুলেছেন ১৪০ কোটি ভারতীয়র কাছে।
১৮ ই আগস্ট ২০০৮ সালে ভারতের জার্সিতে অভিষেক হওয়া ছেলেটার আজ অবসরের জল্পনায় তুঙ্গে। হ্যাঁ , অনেকটা বছর কেটে গেছে। এই ১৭-১৮ বছরের সফরটা ছিল ভীষণই রঙিন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে গম্ভীরের সঙ্গে হওয়া সেই পার্টনারশিপ চিরস্মরণীয়। এছাড়া পাকিস্তানের সোয়েব আখতার, শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা, অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লির মত বিধ্বংসী বোলারদের অনায়াসে সামাল দিয়েই সকলের মনে জায়গা করে নিলেন।
ভারতীয় ক্রিকেটের রাজপুত্রের দখলে রয়েছে ২ টি আইসিসি ট্রফি। ২০১৬ সালটি ছিল কোহলির সোনালী বছর। যদিও ২০১৮ থেকে তিন বছর ছন্দহীন ছিলেন। উত্থান পতন নিয়েই জীবন। আসলে বিরাট এমনই একজন খেলোয়াড় যার থেকে আমরা সেঞ্চুরি আশা করি। এই অভ্যেসটা যদিও তিনি দিয়েছেন। তাই অর্ধ শতরান করলেও সকলেরই দাবি ছিল , শতরান না করা মানেই ছন্দে নেই বিরাট। অথচ ২০১৯ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মার পর যখনই দরকার পড়েছে একাধিক অর্ধ শতরানের ইনিংস খেলেন। এরপর ২০২২ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মেলবোর্নের সেই ইনিংস। ৮ বলে ২৮ রানের বিরুদ্ধে বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে ২ টি দুঃসাহসিক ছয় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে ইতিহাসে। ২০২৪ সালে কাটল রোহিতের নেতৃত্বে জিতলেন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। খেলেছিলেন ৭৬ রানের মূল্যবান ইনিংস। এরপর ২০২৫ সালে জিতলেন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
বিরাটের জন্মদিনে দেখা নেওয়া যাক তার অন্যতম সেরা ১০ টি রেকর্ড -
১.দ্রুততম ৮,০০০, ৯,০০০, ১০,০০০, ১১,০০০ এবং ১২,০০০ ওয়ানডে রান। ইতিহাসে একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি এই সমস্ত মাইলফলক দ্রুততমভাবে স্পর্শ করেছেন।
২.ভারতীয় হিসেবে সর্বাধিক ওয়ান সেঞ্চুরি। শচীন তেন্ডুলকারকে ছাপিয়ে গেছেন বিরাট।
৩.টি টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে সর্বাধিক রান। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৪,০০০ টি-টোয়েন্টি রান অতিক্রম করেছেন।
৪.আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। ৭০০০ রান স্পর্শ করা একমাত্র খেলোয়াড়।
৫.দ্রুততম ২৫০০০ রান করা খেলোয়াড়।
৬.টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বাধিক ম্যান অফ দি ম্যাচের পুরস্কার।
৭.টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং আইসিসি ডব্লিউটিসি চক্রে ৩,০০০+ রান করা একমাত্র খেলোয়াড়।
৮.ওয়ানডেতে তাড়া করার সময় সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি
৯.একমাত্র খেলোয়াড় যার তিন ফরম্যাটেই একসাথে গড়ে ৫০+ রান।
১০.সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক শতরান।
আরও একবার ট্রফি হাতছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের
আসন্ন ম্যাচ দিয়েই আবার গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দেখা যাবে রাঁচির এই কিংবদন্তিকে
IPL চলাকালীন এই বাঁহাতি ব্যাটারের বিবাহিত জীবন নিয়ে নতুন করে কাটাছেঁড়া শুরু করেছেন নেটিজেনরা
রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ফুটবল মাঠের লড়াইকে প্রাধান্য দিতেই এমন কড়া অবস্থান নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়