নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সংস্থার অফিসে ইডির তল্লাশিকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। ঠিক সেই সময়ই মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ইডি–মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত নিয়ে রাজ্যপালের মন্তব্যে নতুন মাত্রা যোগ হল এই হাইভোলটেজ ঘটনায়।
শুক্রবার রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস স্পষ্ট ভাষায় জানান, আইপ্যাক অভিযান ও তার পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ মানুষ এবং একাধিক আইনজীবী তার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি দিক তুলে ধরেন তিনি। রাজ্যপালের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথমত, কোনও সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ। দ্বিতীয়ত, কাজের সময় সরকারি কর্মচারীকে হুমকি দেওয়া গুরুতর ও গর্হিত অপরাধ, যার শাস্তি হিসেবে দুই বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।
তৃতীয়ত, সাংবিধানিক পদাধিকারীদের মূল দায়িত্ব সংবিধানকে রক্ষা করা। কেউ যদি সেই সংবিধানকেই অস্বীকার করেন, তবে তার সেই পদে থাকার নৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রশ্নের মুখে পড়ে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যপাল জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিচ্ছেন এবং রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে সঠিক ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভোটের দুদিন আগে বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ
বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে
ঘটনাস্থলে দমকলের ৩ টি ইঞ্জিন
আগামী ২২ এপ্রিল হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ
মোদিকে পাল্টা কটাক্ষ মদনের
মঙ্গলবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
ট্রাইবুন্যালের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সক্রিয় শীর্ষ আদালত
মঙ্গলবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
বুধবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তৎপর প্রশাসন
সোমবার হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
সোমবারের মধ্যে আদালতে পেশ করার নির্দেশ
দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রচারের ময়দানে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সম্পূর্ণ বিষয়টি শুভেন্দু অধিকারীর চাল বলে অভিযোগ পুলিশ কর্তার পুত্রের
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন