নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার সকালেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটা। গণনাকেন্দ্রের বাইরে তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে শাসকদলের ‘জয় বাংলা’ এবং অন্যদিকে গেরুয়া শিবিরের ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করতে হয় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে। দুই দলের সমর্থকরাই গণনাকেন্দ্রের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন। আচমকাই স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রিয় হয়ে ওঠে।
উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে জওয়ানরা লাঠিচার্জ করলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় বড়সড় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও গোটা এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকা ঘিরে রেখে জমায়েত হঠাতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।
এ বিষয়ে এক বিজেপি কর্মী জানান, ‘আজ বাংলা শাপমুক্ত হলো। এটি অত্যন্ত আনন্দের দিন, বাংলায় পরিবর্তন এসেছে। আমরা ২০০-র বেশি আসন পাওয়ার আশা করছি। বেলা যত গড়াবে, আমাদের জয়ের মার্জিন ততই বাড়বে’।
খড়গপুর সদরে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ
আহত আরও বেশ কয়েকজন
ঘটনায় সরব বাম শিবির
বিজেপির পক্ষ থেকেও মহিলা সদস্যদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা
প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ
তলব করা হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুল রহমানকেও
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে...
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও