নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন সকাল থেকেই খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে। বেলা গড়াতেই নদীয়ার ১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টিতেই বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে থাকায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কর্মী-সমর্থকরা। রানাঘাট গণনা কেন্দ্রের বাইরে কার্যত উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে এবং আবির খেলায় মেতে উঠে জয়ের আগাম উদযাপন শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই নদীয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির অনুকূলে ট্রেন্ড আসতে শুরু করে। বিশেষ করে রানাঘাট চত্বরে জয়ের ইঙ্গিত স্পষ্ট হতেই ভিড় জমাত শুরু করেন সমর্থকরা। ঢাক-ঢোল এবং ব্যান্ড পার্টির বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে উল্লাসে মাতেন তারা। গত কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শাসকদলকে পিছনে ফেলে জেলার অধিকাংশ আসনে লিড বজায় রাখায় আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
গণনাকেন্দ্রের বাইরে কড়া নিরাপত্তা বলয় থাকলেও বিজেপি সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের সামনে তা কার্যত ম্লান হয়ে পড়ে। যদিও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, তবুও জয়ের গন্ধ পেয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষজন একে অপরকে গেরুয়া আবিরে রাঙিয়ে দিয়ে বিজয়োল্লাসে মেতে ওঠেন।
খড়গপুর সদরে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ
আহত আরও বেশ কয়েকজন
ঘটনায় সরব বাম শিবির
বিজেপির পক্ষ থেকেও মহিলা সদস্যদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা
প্রায় ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ
তলব করা হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুল রহমানকেও
বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোট পড়েছে ৮৬.৯০ শতাংশ
এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা
কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে সকাল থেকেই নির্দিষ্ট বুথগুলিতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে...
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে পাল্টা হাজির হন বিজেপি প্রার্থীরাও