নিজস্ব প্রতিনিধি , হাওড়া - SIR শুনানিতে হাজিরা দিতে বাড়ি ফিরে বেধড়ক মারধরের পর পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হল আসামির। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শ্যামপুর থানার অন্তর্গত মন্ডলঘাট এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম শেখ আজগার আলী (৩৫)। স্থানীয়রা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , বছরখানেক আগে এলাকার বাসিন্দা আজগার আলীর সঙ্গে শেখ আলমের সংঘর্ষ ঘটে। সেই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলমকে খুন করে আজগার পালিয়ে যান। সম্প্রতি SIR শুনানিতে তাঁর ডাক আসে। সেই সূত্রেই বাড়ি ফিরলে এলাকাবাসী তাঁকে দেখতে পেয়েই বেধড়ক মারধর শুরু করে।

খবর পেয়ে পুলিশ এসে আহতকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়, অবস্থার অবনতি হলে তিনি মারা যান। নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা অভিযোগ করেন, পুলিশের অতিরিক্ত আঘাতের কারণে প্রাণহানি হয়েছে। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তাঁরা।
নিহতের এক প্রতিবেশী জানান, 'আমরা খবর পেয়ে ছুটে আসি। আজগারের বেহাল অবস্থা ছিল। হেফাজতে থাকাকালীন পুলিশ আরও মারধর করেছে বলেই আমাদের ধারণা। যার জেরে এমন ঘটনা। মানছি তাঁর শাস্তি হওয়া উচিত, কিন্তু এভাবে মেরে দেওয়া ঠিক হয়নি'।
অন্যদিকে পুলিশের এক আধিকারিক জানান, 'বহুদিন ধরে আমরা আজগরের তল্লাশি চালাচ্ছিলাম। উদ্ধারের পর শারীরিক অবনতি হওয়ায় আগে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু তখনই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের কোনও হাত নেই। এলাকাবাসীর আঘাতেই প্রাণহানি হয়েছে'।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর