নিজস্ব প্রতিনিধি , নিউ ইয়র্ক - শান্তি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পরেই আমেরিকার তরফে ইরানের কাছে আসে হুমকিবার্তা। যেখানে জানানো হয় , হরমুজে তারাও নজরদারি চালাবে। এরপর পাল্টা হুমকি দেওয়া হয় ইরানের তরফে। তবে সেসব তোয়াক্কা না করে এবার জলপথে নামল ১৫ টি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বিমানবাহী রণতরী ত্রিপোলিকেও। ফের মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের ঘন কালো মেঘ।
সূত্রের খবর , হরমুজ অবরোধের সিদ্ধান্তকে কঠোরভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যুদ্ধজাহাজগুলির পাশাপাশি ইউএসএস ত্রিপোলিকে মোতায়েন করা হয়েছে। বিমানবাহী রণতরীতে রয়েছে F-35B, লাইটনিং ২ স্টিলথ ফাইটার জেট, MV-22, অসপ্রে বিমান ও একাধিক হেলিকপ্টার।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছে , ইউএসএস ত্রিপোলিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে সেখান থেকে ২০টির বেশি F-35 জেট পরিচালনা করা যায়। ইরানে অবৈধভাবে শুল্ক দেওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল আমেরিকা। তারা জানিয়েছিল , সেসমস্ত জাহজকে দেখলেই আটক করা হবে। এমনকি হরমুজ তারা উন্মুক্ত করেই ছাড়বে। শুধু তাই নয় , শান্তি চুক্তি নিয়ে মাথাব্যথাও ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের। তবে এবার সত্যিই জলযুদ্ধে নেমে পড়ল আমেরিকা।
জ্বালানি সঙ্কট মেটানোর জন্য চীনের কাছে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
কিউবার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো একেবারেই ভেঙে পড়েছে
হরমুজ নিয়ে ফের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখছে ইরান
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
ছবিটি ভীষণই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সুরাহা ছাড়াই দুই দেশের প্রতিনিধিরা তাদের নিজেদের গন্তব্যে পাড়ি দিয়েছে
হরমুজে আমেরিকাকে অবরোধ চালাতে দেবেনা বলে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়
ইসলামাবাদে গিয়েও লাভ হয়নি দুই দলের
অভিযান এখনও শেষ হয়নি বলে দাবি ইজরায়েলের
মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়