নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে যার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা, সেই লড়াকু মনোভাব আজও অটুট। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফের একবার সংগ্রামের ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। রক্তচক্ষু, ধমক কিংবা অপশক্তির কাছে মাথা নত না করে আজীবন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাই উঠে এল তার বক্তব্যে।
বৃহস্পতিবার নিজের X হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে দলের প্রতিটি কর্মী ও সমর্থককে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবেগঘন বার্তায় তিনি ফিরে যান দলের জন্মলগ্নে। লেখেন,' মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল।' মমতার কথায়, এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার মূল দিশা ছিল এবং আজও রয়েছে দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা।
মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক আজও সেই আদর্শে অবিচল এবং তাদের নিরলস পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান। মুখ্যমন্ত্রীর করা পোস্টে শুধু স্মৃতিচারণ নয়, ছিল লড়াকু বার্তাও। কোনও রকম হুমকি বা রক্তচক্ষুর কাছে মাথা নত না করার হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা স্পষ্ট জানান, 'সাধারণ মানুষের পাশে থেকে লড়াইই তৃণমূলের রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।' তার কথায়, গণতন্ত্র রক্ষার এই লড়াইয়ে কোনও অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
আগামী ৮ মার্চ রায়দিঘিতে সভা করতে চলেছে অভিষেক
আগামী ৯ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছতে পারে কমিশনের ফুল বেঞ্চ
ভবানীপুর থেকে ৬০ হাজার নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ মমতার
স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবি কংগ্রেস নেতার
দোলের পর ৮৪টি তফসিলি অধ্যুষিত বিধানসভায় বিশেষ প্রচার গাড়ি যাবে
প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও নাম বাদের অভিযোগ
১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে তলব ইডির
রোদ ঝলমলে আকাশ থাকবে
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
৬ মার্চ ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সোমবার ও মঙ্গলবার পরপর দুদিন বৈঠকে বসতে চলেছে কমিশন
সংঘর্ষে আহত হয়েছে দুইপক্ষের একাধিক কর্মীরা
যদিও আপাতত নিরাপদেই আছেন মেয়র কন্যা
দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েও নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় রিচার
দোলের দিন সকালে থাকছে না মেট্রো
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর