নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - রেলগেটের পরিবর্তে আন্ডারপাসের কাজ শুরু করায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের। রেলগেটের থেকে দূরে আন্ডারপাসের কাজ শুরু করায় প্রতিবাদ মিছিল ইংরেজবাজার এলাকার স্থানীয়দের। মালদহ জেলা জুড়ে ৩৬টি আন্ডারপাস তৈরির কাজ শুরু করেছে। তবে রেলের পছন্দমত জায়গায় কাজ করা যাবে না , দাবি তুলে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন সকলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।
যদুপুরেও একটি আন্ডারপাস তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। যদুপুর হাইস্কুলের পাশে রয়েছে রেলগেট। এলাকার লোকজন চাইছিলেন, নীচ দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হোক। তবে রেল যেখানে আন্দরপাসের কাজ শুরু করেছে তা অনেকটাই ঘুরপথে। রেলগেট থেকে থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে একটি নির্জন জায়গায় আন্ডারপাস তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। যার ফলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। যেকোনো সময় বিপদ ঘটতে পারে।
সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, "এখানকার মানুষের অভিযোগ, আন্ডারপাস অনেকটা দূরে হচ্ছে। মহিলা, বাচ্চারা যাতায়াত করে। হাসপাতাল, স্কুল আছে এখানে। এটা নিয়েই তাঁরা আপত্তি করছেন। আমি DRM-এর সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলছে, আন্ডারপাসের জন্য অনেক জায়গা দরকার। অন্যত্র করলে জায়গা কমে যাবে। আমি নিজে আজ সবটা দেখে গেলাম। গ্রামবাসীদের দাবি ঠিকই। নিরাপত্তার কথা তো অবশ্যই ভাবতে হবে।"
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়