নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - প্রেমের টানাপোড়েন থেকে বিবাদের জেরে ব্যক্তির মৃত্যু। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধানতলা এলাকায়। মৃতের নাম সাগর মণ্ডল (৫০)। পেশায় একজন রিক্সা চালক। খবর পেয়ে আড়ংঘাটা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , আড়ংঘাটা স্টেশনের কাছে রেললাইনের পাশে পরিবার নিয়ে থাকতেন সাগর মণ্ডল। কয়েক বছর আগে স্বামীকে ছেড়ে সন্তানদের সঙ্গে শম্পা বিশ্বাস নামে এক মহিলা সেখানে বসবাস শুরু করেন। আর্থিক দুরবস্থার কারণে সাগর তাঁকে সাহায্য করতেন। সেই সূত্রেই পাঁচ বছর ধরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

সাগরের আর্থিক সহায়তায় অভিযুক্ত মহিলার মেয়ের বিয়ে হয়। সম্প্রতি সেই সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে অশান্তি শুরু হয়। রবিবার বাজার থেকে ফেরার পথে সাগরের উপর হামলা চালায় শম্পা বিশ্বাস, তাঁর ছেলে শচীন বিশ্বাস। ওই মহিলা সংবেদনশীল স্থানে একাধিকবার লাথি মারলে অসুস্থ হন তিনি। পরে কল্যাণী জে এন এম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের আত্মীয় শ্রেযাবনি মণ্ডল জানান, 'অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কয়েকজনকে ইতিমধ্যে আটক করেছে। কিন্তু এখনও পলাতক মূল অভিযুক্ত শম্পা বিশ্বাস, তাঁর ছেলে। ওই মহিলা আমাদেরও হুমকি দিয়েছিলেন। সাগরবাবুকে এভাবে যাঁরা মেরেছে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই'।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়