নিজস্ব প্রতিনিধি , নিউ ইয়র্ক - মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। ঘুম থেকে ওঠা থেকে ঘুমোতে যাওয়া , ইরানকে হুমকি দিয়েই খেয়ে ফেলছেন তিনি। একের পর এক মন্তব্য করে শিরোনামে উঠে আসছেন। এবার আজব একটি পোস্ট করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে দেখা যাচ্ছে চাঁদের ওপরে সোনার প্রাসাদ। এই পোস্টটি ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল কটাক্ষের শিকার হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প যেভাবে হুমকি দিচ্ছেন সেখানে তিনি বোঝাতে চাইছেন মন হলেই সবটা তার হাতের মুঠোয়। তবে এবার কি চাঁদে সোনার প্রাসাদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট? ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের এই পোস্টের পরেই খোঁচা দেওয়া শুরু করেছেন সকলে। আসলে ছবিটি AI দ্বারা নির্মিত। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বিশালাকার সোনার প্রাসাদ , যার নাম ‘ট্রাম্প টাওয়ার'।
নাসার আর্তেমিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের এমন পোস্ট ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এটুকু নিশ্চিত পারলে চাঁদেও সোনার প্রাসাদ বানিয়ে বাহবা কুড়িয়ে নিতে ইচ্ছুক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের। এই পোস্টে একজন লিখেছেন , "যেটুকু বুদ্ধি ছিল এবার মনে হয় সেটাও লোপ পেয়েছে। উনি আসলে উন্মাদের থেকেও বড় কিছু।"
উল্লেখ্য , চাঁদে বসতি স্থাপন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। নাসা গবেষণা করলেও সেখানে বসবাস করতে মানুষের এখনও সময় লাগবে ৫০ বছরেরও বেশি সময়। চাঁদে বসবাসযোগ্য না হওয়ার অন্যতম মূল প্রতিবন্ধকতাগুলি হল , চাঁদের চরম তাপমাত্রা, স্বল্প মাধ্যাকর্ষণ শক্তির স্বাস্থ্যগত প্রভাব, পরিবহন সমস্যা ইত্যাদি। সেখানে এমন টাওয়ার। এই ধরণের বিশালাকার স্বর্ণ প্রাসাদ নির্মাণে সময় লাগতে পারে প্রায় ১০০ বছর। এখানেই শেষ নয়, এধরনের নির্মাণের ক্ষেত্রে দরকার বিপুল পরিমাণ নির্মাণ সামগ্রীও। যেগুলি কোনোভাবেই চাঁদে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ , এই ট্রাম্পের এই দাবি কোনোভাবেই মানা সম্ভব নয়।
হরমুজ অবরোধের সিদ্ধান্তকে কঠোরভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে
জ্বালানি সঙ্কট মেটানোর জন্য চীনের কাছে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
কিউবার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো একেবারেই ভেঙে পড়েছে
হরমুজ নিয়ে ফের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখছে ইরান
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
ছবিটি ভীষণই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সুরাহা ছাড়াই দুই দেশের প্রতিনিধিরা তাদের নিজেদের গন্তব্যে পাড়ি দিয়েছে
হরমুজে আমেরিকাকে অবরোধ চালাতে দেবেনা বলে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়
ইসলামাবাদে গিয়েও লাভ হয়নি দুই দলের
অভিযান এখনও শেষ হয়নি বলে দাবি ইজরায়েলের
মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়