নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগণা – আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবার ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯১ টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। ৩ টি আসন ছেড়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই উত্তপ্ত মিনাখাঁ। পছন্দ হয়নি মিনাখাঁর তৃণমূল প্রার্থী উষারানি মণ্ডলকে। তাঁকে পরিবর্তনের দাবিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ। গুরুতর আহত ৬।
সূত্রের খবর, মিনাখাঁর তৃণমূল প্রার্থী উষারানি মণ্ডলকে পরিবর্তনের দাবিতে উত্তপ্ত বিধানসভার সোনাপুকুর-শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুজুরগাছা। মঙ্গলবার সকালে মিনাখাঁর আমতলা বাজারে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়ে মিনাখাঁর বিধায়ক উষারানির বিরুদ্ধে। দুপুরে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ।
এদিন রাতে রাজারহাট-হাড়োয়া রোড অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের এক গোষ্ঠী। তৃণমূলের হাড়োয়া–২ ব্লকের ফরিদ জমাদারের গোষ্ঠীর সঙ্গে উষারানি মণ্ডলের অনুগামীদের মধ্যে ব্যাপক মারধর, সংঘর্ষ হয়। লাঠি ও বাঁশ দিয়ে ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি বাড়ির কাচ। সংঘর্ষের জেরে হত হন তৃণমূলের ৬ কর্মী। হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁদের।
আহত হন ঝুজুরগাছার তৃণমূলের বুথ সভাপতি হারান মোল্লা। তিনি জানান, “আমি ফরিদ জমাদারের পক্ষের। উষারানি টিকিট পাওয়ার পরে তাঁর অনুগামীরা আমার বাড়িতে বোমা মেরেছে। আমাকে ও আমার ভাইকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।“ তৃণমূল নেতা সুলেমান মোল্লা জানিয়েছেন, “আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত উষারানি মণ্ডলকে প্রার্থী হিসাবে চাইনি। প্রার্থী হওয়ার পর তাঁর অনুগামীরা আমাদের কর্মীদের মারধর করেছে।“
উষারানির স্বামী তথা উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের পরিষদীয় দলনেতা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলের অভিযোগ, “উষারানি মণ্ডল প্রার্থী হওয়ার পর আমাদের কয়েকজন অনুগামী সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য রাস্তা দিয়ে আসার পথে হারান মোল্লা নামে এক দুষ্কৃতী ও তার দলবল তাদের মারধর করেছে।“
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়