নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - বিনা নোটিসে ৩৬৫ অস্থায়ী কর্মী বরখাস্তের সিদ্ধান্তে বিক্ষোভে সামিল হন কৃষ্ণনগর পৌরসভার কর্মীরা। শুক্রবার পৌরসভার মূল গেট বন্ধ করে ধর্নায় বসেন তাঁরা। অবিলম্বে পুনর্বহালের দাবি তোলা হয়। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেওয়ার পর সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি শুরুতেই ‘নো ওয়ার্ক নো পে’ নিয়ম চালু করেন। পাশাপাশি শনিবার, রবিবার ছাড়াও ২৩, ২৬ জানুয়ারির মতো জাতীয় ছুটিও বাতিল করেন।

সবরকম নির্দেশ মেনে নেওয়ার পরও কোনও পূর্ব বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ৩১ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ১০৬ জন, পরবর্তীতে আরও ২৪৯ জন অস্থায়ী কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই আন্দোলনে নামেন তাঁরা।
আন্দোলনরত কণিকা দাস জানান, 'SDO ম্যাডামের সব শর্তই আমরা মেনে নিয়েছিলাম। তবু কী কারণে আমাদের ছাঁটাই করা হল, তার কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি। মানসিক চাপে একজন সহকর্মী আত্মহত্যা করেছেন, অন্য একজন স্ট্রোকে মারা গেছেন-এর দায় কে নেবে?'।
অন্য আন্দোলনকারী বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, 'কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ছাঁটাইয়ের খবর জানতে পারি। আমাদের কোনও ভুল থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া যেত। কাজে বহাল না রাখলে পরিবার নিয়ে আন্দোলনে বসতে বাধ্য হব'।
এ প্রসঙ্গে নদীয়ার উত্তর বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দীপ মজুমদার বলেন, 'পৌর বোর্ডের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে প্রশাসক বসানো অত্যন্ত লজ্জাজনক। যেখানে নতুন নিয়োগ বন্ধ, সেখানে ছাঁটাই করে মানুষের রুজি-রোজগারে আঘাত করা হচ্ছে। কর্মীদের দ্রুত পুনর্বহাল করা হোক। দল তাঁদের পাশে আছে'।
অন্যদিকে পৌর প্রশাসক শারদ্বতী চৌধুরী জানান, 'অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভের কথা আমি জানতে পেরেছি। আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত সমাধান হবে বলেই আশা রাখছি'।
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়