নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ভোটের আগে ফের দলবদল। মোক্ষম সময়ে ফের ভাঙন বিজেপিতে। এর আগেও দিন হাটায় রঙ বদলের ধারা চোখে পড়েছে। ভোটের মুখে এবারও তেমনই চিত্র। তৃণমূলে যোগদান করলেন বিজেপির যুব মোর্চার মন্ডল সম্পাদক।প্রসেনজিৎ বর্মন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমুলক কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
দলবল নিয়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন প্রসেনজিৎ বর্মন। তাকে স্বাগত জানালেন শাসক দলের কর্মীরা। হাতে পতাকা , মুখে স্লোগান দিয়ে তার ঘরে আশাকে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রাখলেন। তার আশা আগামী বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পেয়ে দলের হয়ে জয়লাভ করবেন। দলে যোগ দিয়েই মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন তিনি।

প্রসেনজিৎ বর্মন বলেছেন , "মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে উন্নয়নমুলক কাজে লিপ্ত হয়েছেন তা শুধুই সাধারণ মানুষের জন্য। আমিও চাই মানুষের পাশে থাকতে তাদের সাহায্য করতে। আসলে বিজেপির নেতারা সাধারণ মানুষের কথাই শোনে না।তবে সেগুলো শোনা উচিত। মানুষের পাশে থাকা উচিত।তবেই মানুষ আপনাদের পাশে থাকবে। আমিও মানুষের স্বার্থে তাদেরকে সবরকম সহযোগিতা করতে চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের জন্য অনেক ভাবেন। আমিও সেখান থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছি।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়