নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম বর্ধমান - দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়াকে নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজনীতি। সোমবার দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের সামনে ধর্না কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। ধর্নামঞ্চ থেকেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সূত্রের খবর, দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বিজেপি। নির্যাতিতার দ্রুত ন্যায়বিচার ও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সিটি সেন্টারের সামনে ধর্না কর্মসূচির আয়োজন করে রাজ্যের বিরোধী দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই ধর্না মঞ্চের আয়োজন হয়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশের তরফে তাদের ধর্নামঞ্চ তৈরি করতে বাধা দেওয়া হয়। এই ঘটনার নিন্দা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'রাজ্য সরকার নির্যাতিতার পক্ষে নয়, অপরাধীদের রক্ষা করতে ব্যস্ত।'
ধর্নামঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ' আমাদের ধর্না মঞ্চ করতে দিচ্ছিল না মমতার পুলিশ। মোদিজির আদর্শে আমাদের বিজেপি যুব মোর্চারা প্রতিনিয়ত বাংলায় লড়াই করেছে বাংলার মা - বোনেদের সম্মান বাঁচানোর জন্য।' পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ' পুলিশ আমাদের ধর্না মঞ্চ করতে দেয়নি। ক্ষমতা থাকলে এখান থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে দেখান। কর্মীরা এখান থেকে সরবে না উঠলে একমাত্র পুলিশের প্রিজন ভ্যানে উঠবে।'
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ' আমি নির্যাতিতার বাবা - মার সঙ্গে কথা বলার পর ভেবেছিলাম হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতা বোনের সঙ্গে দেখা করবো। ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করে মেয়েটির শারীরিক পরিস্থিতি জানতে চাইতাম। কিন্তু আমাকে হাসপাতালে যেতে দেওয়া হয়নি। সকালে ফোন আসে বলে যে ওনাদের খুব চাপ। তাই ডাক্তারদের কারোর সামনে মুখ খোলা মানা।'
একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, ' টাইগার হিলে ছুটি কাটাতে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী, অথচ ওই মেয়ের পরিবারের সঙ্গে একবারও কথা বলেননি। আমরা আশা করেছিলাম উনি প্রথমেই দুর্গাপুরে যাবেন, তার পর চাইলে প্লেনে যেতেন। হাসপাতালে গিয়ে একবার মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতেন কিন্তু সেটা মুখ্যমন্ত্রী করেনি। এটাই মমতার আসল রূপ। প্রথম দিন থেকে আমাদের বিজেপির যুব মোর্চারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়