নিজস্ব প্রতিনিধি , আসানসোল - বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে শাসক - বিরোধী উভয় শিবিরে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভে সামিল হয়েছে বিরোধী পক্ষ। সেই একই ছবি দেখা গেল এবার শাসক শিবিরে। টিকিট না পেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক রুদ্র। সরাসরি দলের অন্দরের কিছু নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন অশোক রুদ্র। অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, প্রথমে তার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকলেও পরে এক মন্ত্রীর ‘ইশারায়’ তা বাদ দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, 'ধারাবাহিকভাবে এই জিনিসটা আমার সঙ্গে হয়ে আসছে। আগের বিধানসভা নির্বাচনেও একই জিনিস হয়েছে। আমি দলের জন্য যথেষ্ট কাজ করি। কিন্তু কোথাও গিয়ে আমার কাজটা দলের কাছে নেতিবাচক হয় যাচ্ছে।'
অশোক রুদ্রর বক্তব্য, ' আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে রয়েছি। কিন্তু বারবার যদি একই জিনিস হয়। তাহলে সে ক্ষেত্রে আমার মনে হয় দলকে বিব্রত না করে আমার বসে যাওয়া উচিত। আমি রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল আমারই দলের মন্ত্রী। শুধুমাত্র আমাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য। ওনার মনে হয়েছিল আমি ওনার নিকট কারোর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবো। আমি কখনোই দলের বিরোধিতা করিনি। এবার আমি সিদ্ধান্ত নেবো।'
এই প্রসঙ্গে দলের নির্বাচিত প্রার্থী তাপস ব্যানার্জী বলেন, 'প্রত্যাশিত হওয়াটা অপরাধ নয়। সবাই সমযোগ্যতা সম্পন্ন। আমি প্রার্থী হয়েছি তার মানে এমন নয় যে আমি বিশাল কিছু। দল যাকে মনে পড়েছে তাকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে অন্যদের গুরুত্ব কমে গেছে। আগামী দিনের সুযোগ আছে নিশ্চয়ই দল তাকে কাজে লাগাবে। সে তার মনে দুঃখটা প্রকাশ করেছে। দলকে যারা ভালোবাসে তারা কখনোই ভোটের সময় বসে যাবে না।'
যদিও এই নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করে বিরোধী শিবির। একই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ' তৃণমূলের প্রার্থী পছন্দ না হওয়াটাই খুব স্বাভাবিক। যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি বিগত ১০ বছর ধরে বিধায়ক ছিলেন অথচ এলাকার কোন উন্নয়নের কাজ করেননি। তাই সেখানে ক্ষোভ হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। তৃণমূল ভেবেছে ১৫০০ টাকা দিয়ে মানুষের মুখ বন্ধ করতে পারবে। কিন্তু সেটা আর হবে না। বাংলায় এবার পরিবর্তন নিশ্চিত।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়