নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র গঠন নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চলা টানাপোড়েনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি উপেক্ষা করে কমিশন জানাল, যেখানে ৩০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন, সেই সব বহুতল আবাসনেই তৈরি হবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল।
নির্বাচন কমিশনের তরফে শুক্রবার জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ রাজ্যের সাতটি জেলায় মোট ৬৯টি বহুতল আবাসনে ভোটকেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী দক্ষিণ কলকাতায় ২টি, উত্তর কলকাতায় ৮টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, হাওড়ায় ৪টি, পূর্ব বর্ধমানে ৩টি এবং হুগলিতে ৫টি বহুতল আবাসনে বুথ স্থাপন করা হবে। কয়েকদিন আগেই বিজেপির নেতা রাহুল সিনহা ও শিশির বাজোরিয়ার তরফে বহুতল আবাসনে বুথ গঠনের দাবি জানানো হয়েছিল। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে বিজেপির দাবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে তৃণমূল।
শাসক দলের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন কার্যত বিজেপির সুরেই কথা বলছে। তৃণমূলের কটাক্ষ, 'কমিশন যে বিজেপির বি-টিম, তা আবারও স্পষ্ট হয়ে গেল। সিইও-র দফতর বিজেপি পার্টি অফিসে সরিয়ে নিলেই হয়।' যদিও নির্বাচন কমিশনের দাবি, বহুতল আবাসনে বসবাসকারী ভোটারদের ভোটদানের সুবিধা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ। ৩০০-র বেশি ভোটার থাকলে তাদের আর দূরের বুথে যেতে হবে না।
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপাতত ৬৯টি আবাসন চিহ্নিত হলেও সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চূড়ান্ত তালিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও আবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি উপেক্ষা করে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজ্য রাজনীতিতে আরও সংঘাত তৈরি করেছে।
আগামী ৮ মার্চ রায়দিঘিতে সভা করতে চলেছে অভিষেক
আগামী ৯ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছতে পারে কমিশনের ফুল বেঞ্চ
ভবানীপুর থেকে ৬০ হাজার নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ মমতার
স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবি কংগ্রেস নেতার
দোলের পর ৮৪টি তফসিলি অধ্যুষিত বিধানসভায় বিশেষ প্রচার গাড়ি যাবে
প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও নাম বাদের অভিযোগ
১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে তলব ইডির
রোদ ঝলমলে আকাশ থাকবে
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
৬ মার্চ ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সোমবার ও মঙ্গলবার পরপর দুদিন বৈঠকে বসতে চলেছে কমিশন
সংঘর্ষে আহত হয়েছে দুইপক্ষের একাধিক কর্মীরা
যদিও আপাতত নিরাপদেই আছেন মেয়র কন্যা
দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েও নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় রিচার
দোলের দিন সকালে থাকছে না মেট্রো
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর