নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - আট মাসের ব্যবধানে দু'বার অবসর নিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অবসর নেওয়ার পরেও বিভিন্ন দেশের টি টোয়েন্টি লিগে খেলার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। ইতিমধ্যেই দুই দেশের লিগে কথা হয়েছে তাঁর। শুধু তাই নয় , একইসঙ্গে দুই দেশের হয়ে খেলতে পারেন অশ্বিন। খবর ছড়াতেই প্রশ্ন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
সূত্রের খবর , অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ইন্টারন্যাশনাল টি২০-তে খেলতে পারেন ভারতীয় স্পিনার। ইতিমধ্যেই আমিরশাহি ইন্টারন্যাশনাল টি২০-র নিলামের জন্য নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন অশ্বিন। আগামী ১লা অক্টোবর হবে সেই নিলাম। এছাড়া বিগ ব্যাশ লিগে অন্তত চারটি দল সিডনি থান্ডার, সিডনি সিক্সার্স, হোবার্ট হারিকেনস ও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স অশ্বিনকে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সেক্ষেত্রে দু’টি লিগেই অশ্বিনের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী ২ রা ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ইন্টারন্যাশনাল টি২০। চলবে ৪ ঠা জানুয়ারি পর্যন্ত। অন্য দিকে ১৪ ই ডিসেম্বর থেকে শুরু বিগ ব্যাশ। চলবে ২৫ শে জানুয়ারি পর্যন্ত। একইসঙ্গে দুটি লিগ চলবে। সেক্ষেত্রে দুই দেশের নিলামে তাকে কিনলে একইসঙ্গে খেলতে হবে সেই লিগ।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়