নিজস্ব প্রতিনিধি , ওয়াশিংটন - ওরাকলের পর এবার বিপুল কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে মার্কিন আইটি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা কগনিজ়েন্ট। কৃত্রিম মেধা বা AI-কে গুরুত্ব দিয়ে খরচ কমাতে বিশ্ব জুড়ে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার কর্মীর ঘাড়ে নেমে আসতে পারে ছাঁটাইয়ের খাঁড়া। সংস্থার সদ্যঘোষিত ‘প্রজেক্ট লিপ’-এর প্রভাবে এই ছাঁটাইয়ের সিংহভাগই ভারতে হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশের প্রযুক্তি মহলে।
সূত্রের খবর, গত ২৯ এপ্রিল ন্যাসড্যাকের তালিকাভুক্ত এই সংস্থাটি জানিয়েছে যে, স্বয়ংক্রিয় পরিচালনার লক্ষ্যে তারা এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে। বর্তমানে নিউজার্সিভিত্তিক এই কোম্পানিতে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ করেন। যার মধ্যে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজারই ভারতীয়। বিশ্লেষকদের মতে, পুনর্গঠন বাজেটের হিসাব অনুযায়ী শুধুমাত্র ভারতেই ১২ থেকে ১৩ হাজার মধ্য স্তরের কর্মী কাজ হারাতে পারেন।
বিশেষ করে যে সমস্ত পদ অটোমেশনের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব, সেগুলির ওপরই কোপ পড়ার আশঙ্কা প্রবল। বর্তমানে গ্রাহকরা অনভিজ্ঞ কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগে অনীহা প্রকাশ করায় প্রচলিত নিয়োগ মডেল থেকে সরে আসছে সংস্থাটি। পুনর্গঠন ও ক্ষতিপূরণ বাবদ সংস্থা ২৩ কোটি থেকে ৩২ কোটি ডলার পর্যন্ত খরচ করার পরিকল্পনা করলেও কতজন কর্মী সরাসরি প্রভাবিত হবেন, তা নিয়ে এখনও জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে।
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরামিড-ভিত্তিক কর্মী নিয়োগ পদ্ধতি বদলে যাওয়ায় অভিজ্ঞ পেশাদারদের অধীনে কাজ করা নবীন প্রযুক্তিবিদদের চাহিদাও ক্রমশ কমছে। ভারতে একজন কর্মীর গড় বার্ষিক বেতন প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ধরলে, ৬ মাসের ক্ষতিপূরণ বাবদ মাথাপিছু খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৭.৫ লক্ষ টাকা। এই আর্থিক সমীকরণের ওপর ভিত্তি করেই বিশাল সংখ্যক ভারতীয় কর্মীর ছাঁটাই হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে।
এক বাজার বিশেষজ্ঞ জানান, ‘আগে তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্পগুলিতে প্রচুর নতুন কর্মীর প্রয়োজন হত, যারা কম জটিল কাজগুলি করতেন। কিন্তু বর্তমানে গ্রাহকদের চাহিদার ধরণ বদলেছে। তারা আর নতুনদের প্রশিক্ষণের জন্য বাড়তি অর্থ খরচ করতে রাজি নন। ফলে মধ্য স্তরের ও কম অভিজ্ঞ পেশাদারদের ওপর এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে। মূলত কৃত্রিম মেধার ব্যবহার বৃদ্ধিই এই কর্মী সঙ্কোচনের মূল কারণ। সংস্থার এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় কয়েক হাজার ভারতীয় পরিবারের রুটি-রুজিতে টান পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে'।
ভারতের প্রত্যাঘাতে ঘরবাড়ি ও স্বজন হারানোর সেই ‘ব্যথা’ যে এখনও মেটেনি, তা আজহারের এই হাড়হিম করা আক্রমণেই স্পষ্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের ফলে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করল
বিমানবন্দরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই যুবক রানওয়েতে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে
হাইকোর্টেও মিলল না স্বস্তি
এই ঘটনাটি বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে
কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ঘটা এই হাড়হিম করা কাণ্ডে বর্তমানে গোটা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
সাফ জানানো হয়েছে , রাষ্ট্রপ্রধানের কোনো ক্ষতি হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ
এই অলৌকিক সাফল্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে