নিজস্ব প্রতিনিধি , পিয়ংইয়ং - প্রশাসক কিম জং উনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবার পরমাণু নীতিতে আমূল বদল আনল উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং-এর নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের হামলায় সুপ্রিম লিডার কিম জং উনের মৃত্যু হয় বা তার প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়, তবে কোনো আলোচনা ছাড়াই পাল্টা পরমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া। মূলত আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিতেই পিয়ংইয়ং তাদের আণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথে সবরকম নীতিগত বাধা সরিয়ে ফেলল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।
সূত্রের খবর, উত্তর কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলিতে এই ঐতিহাসিক নীতিগত পরিবর্তনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রশাসনিক কর্তারা তাতে সর্বসম্মতিক্রমে সিলমোহর দেন। সংশোধিত এই নীতির ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশের পরমাণু অস্ত্রভান্ডারের ওপর একক নিয়ন্ত্রণ থাকবে কিম জং উনের। তবে তার অনুপস্থিতিতে বা তার ওপর হামলা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাল্টা আঘাত হানার পথ প্রশস্ত রাখা হয়েছে।
শুধু কিমের নিরাপত্তাই নয়, দেশের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র বা আণবিক কর্মসূচির ওপর কোনো প্রকার আঘাত হানা হলেও উত্তর কোরিয়া তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে। সম্প্রতি আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর ঘটনাটি পিয়ংইয়ং-এর ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রুখতে এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত।
প্রশাসনিক এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, ‘উত্তর কোরিয়া কোনো নীতিগত বাধার মুখে পড়তে চায় না। আমাদের সুপ্রিম লিডারের নিরাপত্তা ও দেশের পরমাণু কর্মসূচি রক্ষায় আমরা যেকোনো চরম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। নতুন নীতি অনুযায়ী, কমান্ড সেন্টারে হামলা হলে বা নেতৃত্বের কোনো ক্ষতি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আমাদের আণবিক অস্ত্রগুলো শত্রুপক্ষের ওপর আছড়ে পড়বে। আমরা বিশ্বকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই যে, পিয়ংইয়ং-এর দিকে চোখ তুলে তাকালে তার ফল হবে ভয়াবহ'।
ভারতের প্রত্যাঘাতে ঘরবাড়ি ও স্বজন হারানোর সেই ‘ব্যথা’ যে এখনও মেটেনি, তা আজহারের এই হাড়হিম করা আক্রমণেই স্পষ্ট
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই অনড় অবস্থানের ফলে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল আকার ধারণ করল
বিমানবন্দরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কীভাবে ওই যুবক রানওয়েতে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে
হাইকোর্টেও মিলল না স্বস্তি
এই ঘটনাটি বর্তমানে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে
কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ঘটা এই হাড়হিম করা কাণ্ডে বর্তমানে গোটা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
সাফ জানানো হয়েছে , রাষ্ট্রপ্রধানের কোনো ক্ষতি হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ
এই অলৌকিক সাফল্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক চিকিৎসা মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে